1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা ধামইরহাটে  বিস্ফোরক  মামলায় চেয়ারম্যান  গ্রেফতার। রাজশাহীতে ‘জেএফএ অনুর্ধ্ব-১৪ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ২০২৬’-এর উদ্বোধন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ। রুয়েটের উপাচার্যের সাথে বিএইউইটির উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাত। আমের মৌসুমে রাজশাহীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বানেশ্বর হাটে কৃষক-ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার; গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবক নিহত, আহত একাধিক  ফরিদপুরে সরকারি খাস জমি ও খালের পাড় দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান। সৌদি আরবে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রবাসী কর্মীদের জন্য কর্মঘন্টা

লক্ষ্মীপুর বাস টার্মিনাল যেন এখন দুর্ভোগের আরেক নাম

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৫৭ বার পঠিত

 

মোঃ লিটন হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধ :

লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের প্রধান বাস টার্মিনাল যেন এখন দুর্ভোগের আরেক নাম। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে জমে যায় পানি, চারপাশে কাদা আর জলাবদ্ধতা। এতে চলাচলে বিপাকে পড়ছেন চালক, যাত্রী, পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। খানাখন্দে ভরাটার্মিনালটির ভেতরে ঢুকতেই যেন শুরু হয় হাঁটুর ওপর কাদা-পানির সঙ্গে যুদ্ধ।জানা গেছে, শহরেরভোলা-বরিশাল সড়কের শুরুতেই অবস্থিত এই টার্মিনালটি থেকে প্রতিদিন জেলার পাঁচটি উপজেলা ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে বাস চলাচল করে। প্রতিদিন শত শত যাত্রী এখান দিয়ে যাতায়াত করেন। অথচ দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এর অবস্থা এখন ভয়াবহ।
টার্মিনাল ভবন সম্পর্কেও রয়েছে অভিযোগ। জানা যায়, ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বাস টার্মিনালে ২০০৮ সালে একটি ভবন নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে সেটিও পড়ে আছে ভঙ্গুর অবস্থায়।তবে পৌর প্রশাসন বলছে, এবার টার্মিনাল উন্নয়নের পথে। লক্ষ্মীপুর পৌর প্রশাসক মো. জসীম উদ্দীন বলেন, এটিকে ঘিরে আমাদের একটি মেঘা প্রজেক্ট রয়েছে। এটি উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এখানে চার থেকে সাড়ে চার কোটি টাকার কাজ হবে। এতে করে লক্ষ্মীপুর বাস টার্মিনাল আধুনিক বাস টার্মিনালে রূপান্তরিত হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরো টার্মিনালজুড়ে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে সৃষ্টি হয় কাদার ভাগাড়। এতে করে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, যাত্রীদেরও পড়তে হচ্ছে চরম দুর্ভোগে।ঢাকাগামী যাত্রী ইমরান হোসেন বলেন, একটা জেলার প্রধান বাস টার্মিনালের যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে বোঝাই যায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কতটা হচ্ছে। ভেতরে হাঁটতে গেলে জুতা খুলে নিতে হয়, গাড়িতে উঠতে গেলেও ঝুঁকি।বাসচালক আজাদ বলেন, ভেতরে এত গর্ত আর কাদা, গাড়ি ঢোকাতেও ভয় লাগে। বৃষ্টির সময় গাড়ি আটকে যায়। এতে যাত্রীরা ঝামেলায় পড়ে, গাড়িও নষ্ট হয়।স্থানীয় দোকানদার দিদারুল ইসলাম বলেন, টার্মিনালের সামনে পানি জমে থাকলে ক্রেতা আসে না। আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হয়। বহুদিন ধরেই সংস্কারের দাবি জানানো হচ্ছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জুলফিকার হোসেন বলেন, টার্মিনালের ভেতরের রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।
তবে স্থানীয়দের দাবি প্রতিশ্রুতি নয়, তারা দেখতে চান দ্রুত বাস্তবায়ন। জেলার প্রধান পরিবহন কেন্দ্রটির এমন বেহাল চিত্র শুধু যাত্রী দুর্ভোগ নয়, জেলার ভাবমূর্তিরও ক্ষতি করছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

 

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD