1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজবাড়ী সদরে ১৯৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ; আরও বরাদ্দ চাইলেন ইউএনও, নিরুপমা রায় ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগে স্ত্রী আটক। বগুড়া-নওগাঁ সড়কে বেপরোয়া বাসের তাণ্ডব: প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ২০-২৫ জন পটিয়ায়-পর্যটক বাইকার গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক, ১ লাখ ইয়াবাসহ ৫ মোটরসাইকেল জব্দ তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে রাজবাড়ী সদরের ইউএনও, নিরুপমা রায়; ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান রাজবাড়ী সদর ইউএনও, নিরুপমা রায়ের নেতৃত্বে শহীদ আব্দুল গণি শেখের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন নানা কর্মসূচিতে বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন রাজশাহীতে শহীদ সাকিব আনজুমের কবর জিয়ারত সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ঘাটাইলে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫
  • ১৬৯ বার পঠিত

 

মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল টাঙ্গাইলঃ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ধর্ষণের শিকার তৃতীয় শ্রেণিপড়ুয়া শিশুর পরিবার মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তের পরিবারের হুমকি-ধামকিতে রয়েছে। এমন অভিযোগ তুলেছেন মামলার বাদী। গত ৩ জুন নিজ বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হয় ১১ বছরের শিশুটি। ঘটনাটি ঘটে ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের একটি গ্রামে।

সূত্র জানায়, গত ৬ জুন এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম (১৯) নামে এক যুবককে আসামি করে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির বাবা। কিন্ত এতদিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি। উল্টো মামলা করায় আসামির পরিবার থেকে হুমকি দিচ্ছে ধর্ষণের শিকার শিশুর পরিবারকে।
মামলার বিবরণ ও শিশুর বাবার কাছ থেকে জানা যায়, মেয়েটিকে ছোট রেখে ওর মা অন্যত্র চলে যায়।
দাদির কাছেই বড় হচ্ছিল মেয়েটি। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। গত ৩ জুন বিকেলে বাড়িতে কেউ না থাকায় ঘরে একই ছিল শিশুটি। এই সুযোগে একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম শিশুটির ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়।
সে ওড়না দিয়ে শিশুটির হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ অবস্থায় শিশুর দাদি তাহমীনা বেগম (৬৫) বাড়িতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ পান এবং ধাক্কা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে সাইফুলকে দেখতে পান। তখন সাইফুল তাহমীনা বেগমকে ধাক্কা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে গত ৬ জুন এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামকে (১৯) আসামি করে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুর বাবা। ঘটনার ১৪ দিন পরও আসামিকে গ্রেপ্তার হয়নি।

শিশুটির বাবা জানান, আসামির বাবা প্রবাসী এবং সমাজে অবস্থাশালী। তাই মামলা করায় আসামির চাচা জয়নাল আবেদিন (৫৫), আব্দুল কদ্দুস (৪৩) ও মফিজ উদ্দিন (৪৪)-সহ পরিবারের লোকজন আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। মামলা আপস না করলে হাত-পা ভেঙে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। শিশুর বাবা আরো জানান, মেয়েটি এখন ভয়ে আর ঘর থেকে বের হয় না। অন্য শিশুদের সঙ্গেও খেলতে যায় না। মাদরাসাতেও যেতে চায় না।
তবে হুমকি দেওয়ার কথাটি অস্বীকার করেন আসামি সাইফুল ইসলামের চাচা আব্দুল কদ্দুস।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশাররফ বলেন, স্থানীয়ভাবে আপস না করতে পেরে ঘটনার তিনদিন পর শিশুটির বাবা থানায় এসে মামলা করেন। মামলা করার পর আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় আসামি ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD