1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগমারায় সাত দিনেও খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ শরিফার। সম্পত্তির লোভে মায়ের ওপর নৃশংস হামলা, ধামইরহাটে ছেলে গ্রেফতার। বগুড়াকে হারিয়ে রাজশাহী জেলার শিরোপা জয় : উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো রাজশাহী রেঞ্জ আন্তঃ জেলা কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬ সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লা মহানগরীর শিবির নেতা নিহত। নড়াইলের লোহাগড়ায় হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ। শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু পাঁচবিবিতে বৃক্ষরোপন করলেন ইউএনও। ২৭০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি আটক। রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৫ বোতল ইসকাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ। রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪৫০ বোতল এসকাফ ও ৬৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

রাজশাহীতে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
  • ১৮১ বার পঠিত

রাজশাহী ব্যুরো :

 

চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় আম পাড়ার নির্ধারিত সময় ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ মে’র আগে আম বাজারজাত নিষিদ্ধ করা হয়েছে আমচাষিদের জন্য।

আজ বুধবার (৭ মে) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কৃষিবিদ, ফল গবেষক, আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ১৫ মে থেকে গুটি জাতের আম সংগ্রহের মাধ্যমে শুরু হবে এবারের আম পাড়া। গোপালভোগ আম ২০ মে থেকে, রানীপছন্দ ও লক্ষণভোগ ২৫ মে থেকে পাড়া যাবে। হিমসাগর বা খিরসাপাত ৩০ মে থেকে এবং বানানা ম্যাংগো/ল্যাংড়া ১০ জুন থেকে পাড়া যাবে।

আম্রপালি ও ফজলি জাতের আম ১৫ জুন, বারি-৪ জাতের আম ৫ জুলাই এবং আশ্বিনা আম ১০ জুলাই থেকে সংগ্রহ করা যাবে। গৌড়মতি আম ১৫ জুলাই এবং কাটিমন ও বারি-১১ জাতের আম সারাবছর সংগ্রহযোগ্য বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, নির্বাহী কর্মকর্তারা বাগান ও বাজার তদারকি করবেন। কেউ ম্যাংগো ক্যালেন্ডার অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজশাহী জেলায় আমের আবাদ হয়েছে ১৯,৬০৩ হেক্টর জমিতে। গড় ফলন ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ১৩.২৬ টন। সম্ভাব্য মোট উৎপাদন ২,৬০,০০৬ মেট্রিক টন এবং মোট বিক্রি মূল্য প্রায় ১,৬৯৫ কোটি ৮৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬২০ টাকা। এতে আম ব্যবসায়ীরা লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আরও জানায়, কাটিমন, ইলামতি ও আশ্বিনা জাতের আম বিশেষ প্রশিক্ষণ, ছাঁটাই ও প্রুনিংয়ের মাধ্যমে অক্টোবর ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা সম্ভব।

সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিআরটিসি, কুরিয়ার সার্ভিস, বাজার কমিটি, আম ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD