
মেহেরপুর প্রতিনিধি:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের সহগলপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে সিহাব রেজার সাথে এক বছর আগে আলমডাঙ্গা উপজেলার পাঁচ কমলাপুর গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের মেয়ে আজিজুর নাহার লাকীর সাথে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবী বিভিন্ন সময় নির্যাতন করে আসছিল, প্রতারক সিহাব রেজা। এর আগে দুই লক্ষ টাকা যৌতুক নেওয়ার পরেও আবারো যৌতুক দাবী করে সার্রিক নির্যাতন শুরু করে।
নির্যাতন সইতে না পেরে আজিজুর নাহার নাকী বাদী হয়ে গত ৬/০৪/২০২৫ তারিখে চুয়াডাঙ্গা আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে একটি মামলা করেন যার মামলা নং সিআর ১৪৭ /২০২৫। গত সোমবার সকালে চুয়াডাঙ্গা আদালতে প্রতারক সিহাব রেজা আত্মসমর্পণ করলে,বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।
বাদী আজিজুর নাহার লাকী জানান,আগের স্ত্রীর কথা গোপন করে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে বিয়ে করে সহগলপুর গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে সিহাব রেজা।
সে প্রতারনার মাধ্যমে মেহেরপুর জেলা শহরের পাসপোর্ট অফিস এলাকায় বেশ কয়েক বছর যাবত মনির এয়ার ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস ও এমএসটিসি সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার পরিচালনা করে আসছিলেন।
সিহাব তার প্রতিষ্ঠানের সাইন বাের্ডকে পুঁজি করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে চড়া বেতনে বিদেশে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।আমাকে মিথ্যা কথা বলে এক বছর আগে বিযে করেছিল। বিয়ের সময় ব্যবসায় টাকা লাগবে বলে আমার পরিবারের নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা যৌতুক নেন। পরবর্তিতে আবারাে যৌতুক দাবি করে।
যৌতুকের দাবীকৃত টাকা দিতে রাজি নাহলে প্রতিদিন রাতে আমাকে সার্রিক নির্যাতন ও মারধর কর। পরে আমি যানতে পারি তার আগের স্ত্রী সন্তান আছে বলে তিনি জানন।
এঘটনায় প্রতারক স্বামী সিহাবের বিরুদ্ধে গত ৬ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গা আদালতে যৌতুক আইনে একটি মামলা করেন। যার মামলা নং-সিআর ২৪৭/২৫। মামলার পর থেকে সে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। অবশেষে ৫ মে চুয়াডাঙ্গা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে,বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল-হাজতে প্রেরণ করেছেন।