
কিশোরগঞ্জ পাগলা মসজিদের সিন্ধুকে এবার মিলল ২৮ বস্তা টাকা
মোঃজোনায়েদ হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৯টি লোহার দানবাক্স থেকে এবার মিলল ২৮ বস্তা টাকা। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় দিকে ৩ মাস ২৬ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে৷ কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমপ্লেক্সের প্রসাসনিক কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যগণ৷কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম
আজাদ জানান,এই বার ৩ মাস ২৬ দিন পর শনিবার সকালে পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়েছে।সকল টাকা
মসজিদের দোতালায় এনে গণনার কাজ শুরু করা হয়েছে। টাকা গণনা কাজে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহুয়া মমতাজ, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, সিবিএ নেতা আনোয়ার পারভেজসহ মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ৷ মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাসহ মোট ২২০ জনের একটি দল টাকা গণণা কাজে অংশ নিয়েছেন। এর আগে সর্বশেষ ২০ এপ্রিল পাগলা মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৭ টাকা পাওয়া গিয়েছিল৷ যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি রেছিল৷মাদ্রাসার ছাত্রসহ ২২০ জনের একটি দল দীর্ঘ সাড়ে ১৮ ঘণ্টায় এ টাকা গণনা কাজে অংশগ্রহণ করেন। জানা যায় এছাড়াও দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদটি কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর গড়ে উঠেছিল।