
নরসিংদীর শিবপুরে ধর্ষণের শিকার ইমা আক্তার
মোঃ মোবারক হোসেন নাাদিম
নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি
২৪ শে জুলাই ২০২৪ ইং বুধবার,
নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলা পুটিয়া ইউনিয়ন ভরতের কান্দি ৯ নং ওয়ার্ডে মোসাঃ ইমা আক্তার নামের এক কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তার অভিযোগ মোবাইল ফোনে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে বার বার ধর্ষণ করছে । ইমা আক্তারের পাশের বাড়ি ধর্ষক সাইফুল ইসলামের বাড়ি।
ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায় মোসাঃ ইমা আক্তার পিতা মোঃ হোসন মিয়া ৯ নং ওয়ার্ড ভরতের কান্দি এলেকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। হোসেন মিয়া একজন রাজমিস্ত্রী ও গরীব দারিদ্র্য মানুষ। খুব কষ্ট করে মেয়েকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছে।
ধর্ষক সাইফুল ইসলাম পিতা মোঃ ছাদেক মিয়া, মাতা মোসাঃ রেখা বেগম গ্রাম ভরতের কান্দি ৯ নং ওয়ার্ডের স্হায়ী বাসিন্দা।
ঘটনার বিষয়ে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মোসাঃ ইমা আক্তার বলেন সাইফুল ইসলাম একজন ফ্লেক্সি লোড ব্যবসায়ী। একদিন মোবাইলে টাকা লোড দিতে যায়, সাইফুল মিয়ার দোকানে, সেই সময় ধর্ষক সাইফুল ইসলাম জোরপূর্বক দোকানের পাশে একটি রুমে নিয়ে ইমা আক্তারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে এবং মেবাইল ফোনে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন এই ধর্ষণের ঘটনা কারো কাছে প্রকাশ করলে ফেসবুকে নগ্ন ভিডিও ধারণ করা ছবি আপলোড দিয়ে সম্মান হানি করবে, সেই ভয়ে ইমা আক্তার কারো কাছে প্রকাশ করেনি। কিন্তু ধর্ষক সাইফুল ইসলাম সেই সুযোগে বার বার নগ্ন ভিডিও প্রকাশ করে দিবে বলে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে ইমা আক্তারকে। ইমা আক্তার কোন উপায় না পেয়ে মা ও বাবাকে সবকিছু খুলে বলেন ধর্ষক সাইফুল ইসলাম এর ব্যাপারে। ইমা আক্তারের মা ও বাবা সবকিছু ধর্ষকের মা ও বাবা ভাই বোনকে জানালে তারা ভয়ভীতি দেখান চুপ থাকতে কারো কাছে প্রকাশ না করতে। হোসন মিয়া নিরুপায় হয়ে ৯ নং ওয়ান্ড মেম্বার আমির হোসেনকে এই বিষয় অবগত করেন। আমির হোসেন কিছু টাকার বিনিময়ে ইমা আক্তার পরিবারকে দামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। ইমা আক্তারের দাবি আমি টাকা দিয়ে কি করবো? আমি আমার ইজ্জত সম্মান ফিরে পাবো?। আমি সঠিক বিচার চাই।আমার জোরালো দাবি এলাকা বাসী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি ধর্ষক সাইফুল ইসলাম এর সঠিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।