1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. reporter3@dailynayakontho.com : nayakantho3941 :
  3. nayakontho@gmail.com : nayakontho :
  4. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করলো চীনা তেলবাহী ট্যাঙ্কার রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার; গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার।         রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন।   অবসরপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল তাঁর ঘুমন্ত ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্য জব্দ। নতুন উদ্দীপনায় “কচি কণ্ঠের আসর” এর পহেলা বৈশাখ পালন। রাজবাড়ী বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে দাখিল করেছেন ৮জন নারী।  জয়পুরহাটে বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট।   রামেকে হামের প্রকোপে বাড়ছে শিশুমৃত্যু, পিআইসিইউ সংকটে ঝরছে প্রাণ।     

জয়পুরহাটে টাকা আত্মসাৎ মামলায় সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কারাগারে। ডেইলি নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪
  • ১৬৯ বার পঠিত

জয়পুরহাটে টাকা আত্মসাৎ মামলায় সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কারাগারে।

মোঃ শাহাবউদ্দিন ইসলাম, আক্কেলপুর প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে জমির খাজনা পরিশোধের নামে প্রতারণা করে দুইজনের কাছ থেকে নেওয়া ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র মালিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে জয়পুরহাট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক নিশীথ রঞ্জন বিশ্বাস তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জজ কোর্টের পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দীক।

প্রভাষ চন্দ্র মালি কালাই উপজেলার পুনট গ্রামের সদায় মালীর ছেলে। তিনি ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমান তিনি অবসরে রয়েছেন ।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের ২২ শতক একটি জমির মালিক ছিলেন নিলকমল ও রেখা রানী নামে দুইজন। সেই সম্পত্তি তারা বিক্রি করবেন বলে জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্রের কাছে যান। সেসময় প্রভাষ তাদের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে এক সপ্তাহ পর একটি খাজনার রশিদ দেন। পরে তারা সেই জমি তোরাব উদ্দীন নামে একজনের কাছে বিক্রি করেন। এরপরে তোরাব জমিটি নিজ নামে খারিজ করার জন্য সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কাছে মিসকেস দায়ের করলে সেটি একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর যাচাই বাছাই শেষে ভূয়া প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় সেই বছরের ১৯ ডিসেম্বর আদালতে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগি নিলকমল। এ মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন প্রভাষ চন্দ্র। বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে জামিন নিতে আসলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৫ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD