1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বগুড়াকে হারিয়ে রাজশাহী জেলার শিরোপা জয় : উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো রাজশাহী রেঞ্জ আন্তঃ জেলা কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬ সড়ক দুর্ঘটনায় কুমিল্লা মহানগরীর শিবির নেতা নিহত। নড়াইলের লোহাগড়ায় হাই কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ। শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু পাঁচবিবিতে বৃক্ষরোপন করলেন ইউএনও। ২৭০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি আটক। রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৫ বোতল ইসকাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল জব্দ। রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪৫০ বোতল এসকাফ ও ৬৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ রাজশাহী মহানগরীতে ৬৬ হাজার ৩৯৫জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবেঃ রাসিক প্রশাসক। বিদ্যালয়ের ইট বিক্রি করলেন শিক্ষিকা, তদন্তে গাফিলতি শিক্ষা কর্মকর্তার।

জয়পুরহাটে টাকা আত্মসাৎ মামলায় সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কারাগারে। ডেইলি নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪
  • ১৭৭ বার পঠিত

জয়পুরহাটে টাকা আত্মসাৎ মামলায় সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কারাগারে।

মোঃ শাহাবউদ্দিন ইসলাম, আক্কেলপুর প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে জমির খাজনা পরিশোধের নামে প্রতারণা করে দুইজনের কাছ থেকে নেওয়া ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলায় ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র মালিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে জয়পুরহাট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক নিশীথ রঞ্জন বিশ্বাস তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জজ কোর্টের পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দীক।

প্রভাষ চন্দ্র মালি কালাই উপজেলার পুনট গ্রামের সদায় মালীর ছেলে। তিনি ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমান তিনি অবসরে রয়েছেন ।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের ২২ শতক একটি জমির মালিক ছিলেন নিলকমল ও রেখা রানী নামে দুইজন। সেই সম্পত্তি তারা বিক্রি করবেন বলে জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্রের কাছে যান। সেসময় প্রভাষ তাদের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে এক সপ্তাহ পর একটি খাজনার রশিদ দেন। পরে তারা সেই জমি তোরাব উদ্দীন নামে একজনের কাছে বিক্রি করেন। এরপরে তোরাব জমিটি নিজ নামে খারিজ করার জন্য সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কাছে মিসকেস দায়ের করলে সেটি একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর যাচাই বাছাই শেষে ভূয়া প্রমাণিত হয়। এ ঘটনায় সেই বছরের ১৯ ডিসেম্বর আদালতে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগি নিলকমল। এ মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন প্রভাষ চন্দ্র। বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে জামিন নিতে আসলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD