
মা হয়ে মেয়ের সংসার ভাঙলো
স্টাফ রিপোর্টার অভি খায়রুল ইসলাম রংপুর
আজ ১৪/৫ ২০২৪ তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় কাস্টম বাজার কুঠিরপাড় এলাকায় পারিবারিক সমস্যার কারণে মা হয়ে মেয়ের সংসার কে ভেঙে দিলো বর্তমান সমাজে এমন মা খুব কমই পাওয়া যায়। সমাজে এরকম শ্রেণীর লোকের জন্য সাধারণ জনগণের অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
মোছাঃ আরজিনা বেগম ৩ সন্তানের মা আর্জিনার দ্বিতীয় সন্তান মোছাঃ নুসরাত জাহান বয়স ২ বছর এই অবস্থা ছোট শিশুটি বাড়িতে অনেক কাজের চাপ থাকার কারণে তার দাদার বাড়িতে রেখে আসে। তিন দিন পর্যন্ত তার দাদার বাড়িতে তার দাদী মায়ের সঙ্গে থাকে। ইতিপূর্বে মোছাঃ আরজিনা বেগম তার শাশুড়িকে ফোন করে, টিপ সইয়ের কথা বলে বাচ্চা নিয়ে আসতে বলে মোছাঃ মনোয়ারা বেগম বউয়ের কথা মতো বাচ্চা নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে যায়। এক পর্যায় তালবাহানা করে শাশুড়ি মনোয়ার বেগমকে বসিয়ে রেখে সে বাচ্চা নিয়ে চলে যায়। এবং শাশুড়ি মনোয়ারা বেগম সেখানে তিন ঘন্টা যাবত বসে থেকে অপেক্ষা করতেছে অপেক্ষা করতে করতে এক পর্যায়ে সে তার বউকে ফোন করে বলে যে আর কতক্ষণ বসে থাকবো মনোয়ারা বেগমের বউ মোছাঃ আরজিনা বেগম বলে আমি আর বাচ্চা আপনাদেরকে দিব না আপনি চলে যান। শাশুড়ি কষ্ট সহ্য না করতে পেরে মোঃ নুর আলম কে ফোন করে কেঁদে কেঁদে বলল তোমার বউ আমার কাছ থেকে আমার নাতিনকে নিয়ে চলে গেছে। এবং তোমার বউ আরো বলেছে। শে আর আমাদের কাছে বাচ্চা দিবে না এই বলে তার মা ফোন কেটে দেয়।
মোঃ নুর আলম মিয়া তার মায়ের একুতি মিনতি কান্নাকাটি শুনে সে তার শ্বশুরবাড়িতে চলে যায় শ্বশুরবাড়ি গিয়ে তার বউ মোছাঃ আরজিনা
বেগম কে বলে আমার মাকে তিন ঘন্টা যাবত বসিয়ে রেখে বাচ্চা নিয়ে কেন চলে আসলে। এক পর্যায়ে আরজিনা মুখে মুখে তর্ক করে স্বামীর দিকে আঙ্গুল তুলে উচ্চস্বরে বকাবাজি করে এবং সেই বকাবাজি শুনে এলাকার লোকজন সেখানে ভিড় করতে শুরু করে। আরজিনা বলে আমার মেয়েকে আমি দেব না আরজিনা বেগম আরো বলে আমি ওই সংসারে আর কখনো যাবনা
এ কথা বলার একটাই কারণ নুর আলম মিয়া তার শাশুড়িকে জমি বন্ধক নেওয়ার জন্য সাত লক্ষ টাকা দিয়েছে , নুর আলম মিয়া সেই টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন রকম কথার মুখোমুখি হতে হয়।
একথা শুনে মোঃ নুর আলম মিয়া চোখের পানি ঝরঝর হয়। এলাকাবাসী অনেক বোঝাবুঝির পর আরজিনা বেগমের মা বলে আমি আমার মেয়ে সংসার ওই ছেলের সঙ্গে করাবো না অবশেষে দিশেহারা হয়ে নুর আলম মিয়া তার শশুরকে বলে। আমি তো সংসার করার জন্যই আপনার মেয়েকে বিয়ে করেছি, আমি তো ছাড়ার জন্য বিয়ে করিনি তাহলে আজকে আপনারা আমার সঙ্গে এমন করতেছেন কেনো তার শশুর উচ্চস্বরে অনেক বকাবাজি করে এবং বলে আমার মেয়েকে আমার বাড়িতে রাখবো তোমার কাছে আর দেবো না তোমার জা করার আছে তুমি তাই করো,এই ঘটনা শুনে এলাকার মানুষ বলে আপনারা মা বাবা হয়ে কেমন করে মেয়ের সংসার ভাঙতে চান।
এক পর্যায়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় আরজিনা বেগমের মা শিরিনা বেগম অনেক টাকার লুভি সে টাকার জন্য সবকিছু করতে পারে এজন্য তার মেয়ের বিয়ার দেনমোহর ৫ লক্ষ টাকা কাবিন করে, সেই টাকার দাবি করেন মোঃ নুর আলম এর কাছে, যদি সঠিক সময় মতো দেন মোহরের ৫ লক্ষ টাকা না পাই তাহলে তোমাকে জেলে পড়ে মরতে হবে এবং আরো অনেক ভয় ভিতি দেখানো হয়। মোঃ নুর আলম কি করবে ভেবে উঠতে পারছিল না অবশেষে মিডিয়ার কাছে এসে
মুখ খুললেন যদি তার সুষ্ঠু বিচার সে পায়।