1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা শেখ সোহেল রানা টিপুর নির্দেশনায় আগস্টের প্রথম প্রহরে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে শোক ব্যানার ও শোক কর্মসূচি পালন আটার কলের শব্দে মানুষ গড়ার গল্প : পরিশ্রমের পরিচয়ে বেঁচে থাকা বহরপুরের ‘গরিবের মেম্বার’ বাবুল ৫ আগস্টের সমাবেশ সফল করতে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা রাজশাহীতে কাঁচা মরিচের ঝালে খুচরা বাজারে আগুন, কেজি ৪০০ টাকা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে চট্টগ্রামে এনসিপির জনসভা লোহাগাড়ায় মন্দিরের পুকুর থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার রুয়েটে আরপি বাস আটক ফরিদপুরে মাকে হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার ছেলে রাহিম। রাজবাড়ী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সহ ১৩ জনকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয় এবং আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সারা দেশে এস আলমের অন্যান্য কারখানাতেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্পাতের পাত প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢেউটিনসহ ইস্পাতপণ্য তৈরির কারখানা এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস নফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, ব্যাগ তৈরির কারখানা এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট এবং এস আলম ভেজিটেবল অয়েল।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ১১টি কারখানার মধ্যে চিনি প্রক্রিয়াজাত কারখানা এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়া এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কারখানায় আগে থেকে কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও কার্যক্রম একেবারে বন্ধ ছিল না। তবে এবারই শ্রমিক-কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর সবগুলো প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, কারখানায় সব ধরনের উৎপাদন বন্ধ। তাই কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD