1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী; গবেষণা, উদ্ভাবন ও আধুনিক শিক্ষার ওপর জোর মেহেরপুরে শিক্ষকের বাড়িতে বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকির চিরকুট। রাজবাড়ীতে প্রথম শ্রেণীর শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি কর বৃদ্ধি ছাড়াই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ হাজার ৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করলেন রাসিক প্রশাসক পত্নীতলায় ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় জেল। রুয়েটে ‘মডার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেনিং সিস্টেম, ল্যাবরেটরি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সলিউশন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন। গোদাগাড়ীতে এনসিপির মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে সোচ্চার নেতাকর্মীরা বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী; গবেষণা, উদ্ভাবন ও আধুনিক শিক্ষার ওপর জোর

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকাঃ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক নেতৃত্ব দিয়েছেন। অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে আরও সুসংহত করার সময়, আর এ ক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” অত্যন্ত সময়োপযোগী।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল উদ্যোক্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি ও ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বলেন, শিক্ষাকে শুধু সনদনির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি জোরদার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইদের শিক্ষা ও গবেষণায় আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য, পরিবেশ সচেতনতা এবং বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা অর্জন জরুরি। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD