1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আদমদীঘিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদকসহ ২ কারবারি ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার  পাটুরিয়া ঘাটে ওয়ে ব্রিজ স্কেল নিয়ে বিতর্ক, ম্যানেজার জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আলোচিত শিশু আদিব আহনাফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন; হত্যাকাণ্ডে জড়িত কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি, আরএমপি কারুশ্রী জুয়েলার্স’-এ সংঘটিত চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন। রাজশাহীতে বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান রাজশাহীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে ওরিয়েন্টশন ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত ধানমন্ডি ৩২-এ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে। নীলফামারীতে থাই ও ভিসা প্রতারক চক্রের মূল হোতা কুরবান আলী গ্রেপ্তার, পাঠানো হলো কারাগারে। ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে পাঠানো সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

পাটুরিয়া ঘাটে ওয়ে ব্রিজ স্কেল নিয়ে বিতর্ক, ম্যানেজার জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ওয়ে ব্রিজ স্কেলে
ওজন নির্ধারণকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিআইডব্লিউটিসির এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

একটি পণ্যবাহী ট্রাকের চালক অভিযোগ করেছেন, প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি ওজন দেখিয়ে তার কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রায় ১৫ ঘণ্টা ট্রাকসহ তাকে আটকে রাখা হয়।

সোমবার (২২ জুন) সকালে পাটুরিয়া ঘাটে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ট্রাকচালক সাকিব আল হাসান।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো-ট-২২৯৫৮৩ নম্বরের একটি পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানের ওয়ে ব্রিজ স্কেলে ট্রাকটির ওজন পরিমাপ করা হয়।

চালকের দাবি, বেনাপোলে ট্রাকটির ওজন ছিল প্রায় ৩৫ টন। পরে দৌলতদিয়া ওয়ে ব্রিজ স্কেলে ৩৪ টন ৬০ কেজি, উথুলিতে ৩৫ টন ১৯৫ কেজি এবং হেমায়েতপুরে ৩৫ টন ২৬০ কেজি ওজন পাওয়া যায়।

কিন্তু পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছানোর পর বিআইডব্লিউটিসির ওয়ে ব্রিজ স্কেলে ট্রাকটির ওজন ৪১ টন দেখানো হয় বলে দাবি করেন চালক। তার অভিযোগ, অতিরিক্ত ওজন দেখিয়ে প্রথমে ৫ হাজার টাকার বেশি অর্থ দাবি করা হয়। পরে তা কমিয়ে ৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং সর্বশেষ ১ হাজার ৫০০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়। তবে তিনি কোনো অর্থ দিতে রাজি না হওয়ায় তার গাড়ির কাগজপত্র আটকে রাখা হয় এবং সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ট্রাকটি ঘাট এলাকায় আটকে রাখা হয়।

ট্রাকচালক সাকিব আল হাসান বলেন, বেনাপোল থেকে রওনা হওয়ার আগে এবং যাত্রাপথের বিভিন্ন

ওয়ে ব্রিজ স্কেলে গাড়ির ওজন প্রায় একই ছিল। কিন্তু পাটুরিয়া ঘাটে এসে হঠাৎ ৪১ টন দেখানো হয়। পরে আমাকে আবার ফেরির টিকিট কাটতে বলা হয়। আমি রাজি না হলে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হয় এবং টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় দীর্ঘ সময় গাড়ি আটকে রাখা হয়। গাড়িচালক সাকিব আল হাসান আরও অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সময় বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট শাখার ম্যানেজার মো. জামাল হোসেনের সঙ্গে দায়িত্বরত সহকারী ম্যানেজার ফিরোজ এবং পাটুরিয়া নৌপুলিশ থানার ওসিও উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমার গাড়ির কাগজপত্র নিজেদের কাছে রেখে দেন। পরে সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ট্রাকসহ আমাকে পাটুরিয়া ঘাটের ওয়ে ব্রিজ স্কেল এলাকায় আটকে রাখা হয়। দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় আমি ও আমার হেলপার চরম দুর্ভোগের শিকার হই।

ট্রাকটির হেলপার শরিফও একই ধরনের অভিযোগ করে বলেন, অযৌক্তিকভাবে গাড়ি আটকে রাখায় আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।

স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওয়ে ব্রিজ স্কেলের ওজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চালকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। তাদের দাবি, বিভিন্ন স্থানের ওয়ে ব্রিজ স্কেলে একই গাড়ির ওজন প্রায় কাছাকাছি এলেও পাটুরিয়া ঘাটে অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাট শাখার ম্যানেজার, মো. জামাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও যুব দলের এক লোক তারাও উপস্থিত ছিলেন। কেউ হয়তো ব্যক্তিগত স্বার্থে এসব কথা বলছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দৌলতদিয়া ঘাটের ওয়ে ব্রিজ স্কেলের এক দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বলেন, আমাদের

ওয়ে ব্রিজ স্কেলে ট্রাকটির ওজন প্রায় ৩৪ টন পাওয়া গেছে। একই গাড়ির ওজন অন্য স্থানে ভিন্ন হলে সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয়। তবে বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক, মো. সালাহউদ্দিন বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কোনো যানবাহন পারাপারের আগে ফেরির টিকিট,

ওয়ে ব্রিজ স্কেল স্লিপ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। সংশ্লিষ্ট ট্রাকটির কাগজপত্রও যথাযথ ছিল।

এদিকে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি, একই যানবাহনের ওজন বিভিন্ন স্থানে প্রায় সমান পাওয়া গেলেও কোনো একটি স্থানে অস্বাভাবিকভাবে বেশি দেখানো হলে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি ওয়ে ব্রিজ স্কেলের কার্যকারিতা ও নির্ভুলতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি করেছেন তারা।

ঘটনাটি নিয়ে পরিবহন শ্রমিক ও চালকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ওয়ে ব্রিজ স্কেল

ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD