1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মনোহরদীতে ৪০০ গ্রাম চোলাই মদসহ ১ জন আটক,৮ মাসের কারাদণ্ড ঋণের চাপ ও পারিবারিক দুশ্চিন্তায় বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন, ব্যাংক নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু। রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহী থেকে দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ। রাজশাহীর বিনোদপুরে রেস্তোরাঁয় হামলা-ভাঙচুর, হাতবোমা বিস্ফোরণে পুলিশ সদস্য আহত পাঁচবিবিতে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচীর উদ্বোধন। বাংলা টিফিন রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন। বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিটি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে বিক্ষোভ, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা। “সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে বালিয়াকান্দিতে পুলিশের সচেতনতামূলক সভা”। রাজশাহীর মিষ্টিতে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, চেখে দেখলেন ঐতিহ্যবাহী প্যারা সন্দেশ ও দই

মির্জাপুরে পাহাড়ের মাটি বিক্রির মহোৎসব।

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৫ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার: রিমন হোসেনঃ

মির্জাপুরে চলছে পাহাড়ের টিলা কেটে লাল মাটি বিক্রির মহোৎসব। পাহাড় ধ্বংস করে মাটি বিক্রি করায় একদিকে হুমকির মুখে পড়ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ, অন্যদিকে জীববৈচিত্র্য ও ফলজবৃক্ষসহ উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। এই লাল মাটি বিক্রির উৎসব মাসব্যাপি ধরে চললেও প্রশাসন শক্ত হাতে দমনের ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। লালমাটি বহনকারি ড্রাম্প ট্রাকের চাকার দাপটে খানাখন্দক হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা।
জানা গেছে, ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে মির্জাপুর উপজেলা গঠিত। এর মধ্যে আজগানা, বাঁশতৈল, তরফপুর, লতিফপুর ও গোড়াই ইউনিয়ন হলো পাহাড়বেষ্টিত। এই পাহাড়ের বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চলে ছিল শত শত উঁচু টিলা। পাহাড়বেষ্টিত ইউনিয়নগুলোর বনে এক সময় বাঘসহ নানা জাতের পশু-পাখির বসবাস ছিল।
এছাড়া এই বনাঞ্চল শাল ও গজারিসহ নানান জাতের ফলজ এবং ওষুধি গাছে ভরপুর ছিল।
প্রতিবছর এই অঞ্চলে মাটি ব্যবসায়িরা অবৈধভাবে পাহাড়ের টিলা কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্য বছরের মত টিলা কেটে মাটি বিক্রির মহোৎসব এবারও থেমে নেই। প্রতিবছর টিলা কেটে মাটি বিক্রি করায় পাহাড়ি অঞ্চলটির টিলার সংখ্যা দিনকে দিন কমে আসেছে।
সরেজমিনে তরফপুর ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে এক মাসের ব্যবধানে এই এলাকায় পাহাড়ের কমপক্ষে ১০টি  বড় বড় টিলা কেটে মাটি বিক্রি করেছে। ইউনিয়নটির রাখেরচালায় গিয়ে দেখা গেছে কয়েকটি বড় বড় টিলার মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে মাটি বিক্রি করা হয়েছে। পাশের অন্য আরও একটি টিলার মাটি কাটার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। টিলাটির ওপরের আকাশমনি, কাঠাল ও আমসহ সকল গাছ-গাছালি কেটে ফেলছেন কয়েকজন শ্রমিক।
তরফপুর গ্রামের হযরত আলী, মাসুম ও শহিদ জানান বাঁশতৈল এলাকার রোকন নামে এক ব্যক্তি মাটি কেটে নিচ্ছে। অন্যদিকে টাকিয়া কদমা গ্রামের রাধারচালায় দুইটি টিলার মাটি একইভাবে কেটে নিচ্ছে অবৈধ এই লাল মাটিখেকোর দল। নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন বাঁশতৈল এলাকার শহিদুল নামে এক মাটি ব্যবসায়ি এই টিলার মাটি কেটে নিচ্ছে।
এদিকে টিলার লালমাটি বহনকারি বড় বড় ড্রাম্প ট্রাক অনবরত চলাচল করায় ওই এলাকার গ্রামীণ রাস্তা খানাখন্দক হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন। মাটি ব্যবসায়িরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ টু শব্দ করতে পারেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। মাটি ব্যবসায়ি রোকনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি মাটি ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি। এখন অন্যরা করছে বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে তরফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ রেজার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাহাড়ের টিলা কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া ইয়াসমিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি থামাতে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা রাতেও অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু ওরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে আমাদের অভিযান থেমে থাকবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD