1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন

কয়রায় বেড়িবাঁধ ধ্বসে নদীতে, আতঙ্কে এলাকাবাসী: সংস্কারের দাবি

  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪২ বার পঠিত

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ

সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার কয়রা উপজেলার মাটিয়াভাঙ্গা এলাকায় প্রায় ২০০ মিটার বেড়িবাঁধ ভাঙনে নদীতে ধসে পড়ে। বেড়িবাঁধ ভাঙনের শব্দে আতঙ্ক নিয়ে বাঁধের দিকে ছুটে যান জনসাধারণ। কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ নদীতে মিলিয়ে যেতে দেখেন তাঁরা। পরে গ্রামবাসীর তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টায় রিং বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে লোকালয়ে লোনা পানির প্রবেশ ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে।তবে এখনো ভাঙনের আশঙ্কা কাটেনি।
দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সুন্দরবনঘেঁষা আড়পাঙ্গাসিয়া নদী ও কপোতাক্ষ নদের মোহনার সংলগ্ন বাঁধটিতে এক মাস আগেই ফাটল দেখা যায়। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডে জানালেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দিদারুল আলম। তিনি বলেন, অল্প কিছু বস্তা ডাম্পিং করে দায়সারা কাজ করা হয়েছিল তখন। তাই গত রাতে আগের ফাটলটি হঠাৎ বড় হয়ে বাঁধ ধসে পড়েছে।
ভাঙনের খবর শুনে রাতেই ঘটনাস্থলে যান মাটিয়াভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মতিউর রহমান ও খায়রুজ্জামান। তাঁরা গিয়ে দেখেন, বাঁধের মাটি বড় বড় খণ্ড হয়ে নদীতে ভেঙে পড়ছে। তাঁদের মতে, দ্রুত রিং বাঁধ নির্মাণ করায় লোকালয় প্লাবিত হয়নি। তবে জোয়ারের পানি যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, এতে দ্রুত সংস্কার কাজ না করা হলে আবারও ভাঙনের ঝুঁকি আছে।
পাউবো সূত্র জানায়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘পুনর্বাসন’ প্রকল্পের আওতায় কয়রা উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের দুটি পোল্ডারে (১৪ / ১ ও ১৩-১৪ /২) প্রায় ১,২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। ৩২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধে উচ্চতা-প্রশস্ততা বৃদ্ধি, ঢাল সংরক্ষণ, নদীশাসন ও চর বনায়নের কাজ করা হচ্ছে। মাটিয়াভাঙ্গার ভাঙন এলাকাটিও ওই প্রকল্পের অংশ বিশেষ। তবে বাঁধটি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পাউবো সাতক্ষীরা-২ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর কবির।কংক্রিট ব্লক নির্মাণের সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রিং বাঁধ দিয়ে পানি আটকাতে পারায় প্লাবিত হয়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ কাজের ধীর গতি, অসমাপ্ত মাটি ভরাট, কোথাও সিসি ব্লক না দেওয়া, আবার কোথাও বালুর বস্তা ফেলার বাকি আছে। এসব কারণে বাঁধের অনেক স্থানে ধস বেড়েছে এবং তৈরি হয়েছে ভাঙনের ঝুঁকি।
পাউবো সাতক্ষীরা-২ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। তবে জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, বরাদ্দ বিলম্ব, বালু-মাটির সংকট এবং নদীর ভাটার সময়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বিধায় কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। মাটিয়াভাঙ্গা এলাকার বাঁধে কাজ চলমান রয়েছে। বাঁধ ভাঙার আর কোন আতঙ্ক নেই।

 

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD