
শাহপরাণ মডেল হাই স্কুল ও মোশারফ আলী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সামনে স্পিড ব্রেকারের দাবিতে মানববন্ধন
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় শাহপরাণ মডেল হাই স্কুল ও মোশারফ আলী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সামনে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে এ মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন শাহপরাণ মডেল হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিংকু দেব।
বক্তব্য রাখেন শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক জহিরুল ইসলাম, অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী তুহিন, গণেশ্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নোমান আহমদ সাদি, সহকারী শিক্ষক অমিত দাশ, হিফজুর রহমান ও হাফিজ মোস্তাক আহমদ।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন নুসরাত জাহান ইভা, মারুফা খুকি মৌ ও নাজিফা আমির মোসকান। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শাকিল আহমদ, মোস্তাক উদ্দিন, মাহমুদ আল হাসান ও সুলেমান মিয়া।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের সামনে দ্রুতগামী যানবাহনের কারণে শিক্ষার্থীদের চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে, যা শিশুদের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে সড়কের উভয় পাশে স্পিড ব্রেকার স্থাপন করা প্রয়োজন বলে তারা দাবি জানান।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেম্বার, ইকবাল হোসেন সাজাদ, নাসির উদ্দিন, সেলিম মিয়া, মিছবাহ উদ্দিন, মমিনুর রহমান এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়াও শাহপরাণ মডেল হাই স্কুল ও মোশারফ আলী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সকল শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনসাধারণ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্পিড ব্রেকার স্থাপন করা না হলে, এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে। তাই সবাই একসঙ্গে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হওয়ায় প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়। অভিভাবকরাও সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।