
ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে বানীগাও এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পক্ষ থেকে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন।
বালাগঞ্জ প্রতিনিধি :মোঃ সুয়েবুর রহমান খান
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হলো একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গসহ সমস্ত বাংলাভাষী অঞ্চলে পালিত একটি বিশেষ দিবস, যা ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বরে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়। তবে এটি ২০০২ সালে ৫৬/২৬২ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।এটি শহীদ দিবস হিসাবেও পরিচিত। এ দিনটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালে এইদিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) মাতৃভাষা বাংলাকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকায় আন্দোলনরত বাঙালি ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ ছাত্র শহীদ হন। যাঁদের মধ্যে রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত উল্লেখযোগ্য এবং এই কারণে এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে।প্রতিবছর এই দিনে এই ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনসাধারণ ফুল নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসে শহীদ মিনারে। তারই ধারাবাহিকতায় বানীগাও SESDP মডেল উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পরে এক আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয় উক্ত বিদ্যালয়ের
সহকারী শিক্ষক শাহজাহান এর সঞ্চালনায় প্রধান শিক্ষকের সভাপতিত্বে প্রধান অথিতির বক্তব্যে উক্ত বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শেখ বদরুজ্জামান বলেন এই বিদ্যালয় ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত শহীদদের স্মরণে বিদ্যালয়ে কোন শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আজ আমরা মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ উপস্থিত হয়ে আমরা শ্রদ্ধা অর্পণ করি।এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। তিনি বলেন সরকারের কাছে আমাদের প্রাণের দাবি একটি একটি শহীদ মিনার যেন প্রতিষ্ঠিত হয় আগামী বছর যাতে আমরা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা অর্পণ করতে পারি। এ উপস্থিত হয়ে বিশেষ অতিথি বক্তব্য প্রদান করেন বালাগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রভাষক ও বালাগঞ্জ প্রেসক্লাবের অর্থ-সম্পাদক মোঃসুয়েবুর রহমান খান তিনি বলেন এটা পরিতাপের বিষয় একটি উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত হলেও কোন শহীদ মিনার নেই তিনি কর্তৃক পক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শহিদ মিনার বিনির্মাণের জন্য। আরও ছিলেন সহকারী শিক্ষক সুমা ভট্টাচার্য, আরিফ আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম, তারেক সরকার, সজলচন্দ্র,নরেশ চন্দ্ররায়, ইমরান আহমেদ, নুরুজ্জামান প্রমুখ। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও পুরুষ্কার বিতরনীর মধ্য দিয়ে অনুষ্টান শেষ হয়।