1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুরে ১ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবাসহ তরুণী গ্রেফতার পিরোজপুরে ৮ লাখ টাকার মাদকসহ দুই কারবারি গ্রেফতার বারবার গণপরিবহনে অগ্নিকাণ্ডে নগরজুড়ে আতঙ্ক; যানবাহনের ফিটনেস, মালিকপক্ষের দায়িত্বশীলতা, তদারকির ঘাটতি ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে কঠোর প্রশ্ন কুড়িগ্রামে দুর্বৃত্তকারীর ছুরির আঘাতে স্বামী নিহত স্ত্রী নিহত ও দুর্বৃত্তকারীকে আটক করেছে পুলিশ। ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে কুড়িগ্রামে বিএনপির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত। ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বর্জন বিএনপির, ডিসিকে ‘মুজিববাদী আমলা’ আখ্যা ‎ ঝিনাইদহে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন পঞ্চগড়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ: বাংলাদেশে নতুন করে কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হতে দেওয়া হবে না কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন ভোলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, প্রীতিভোজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডাক্তারের নামের পাশে ‘ভুয়া’ পদবি;রোগীর মৃত্যু

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৫২ বার পঠিত

ডাক্তারের নামের পাশে ‘ভুয়া’ পদবি,রোগীর মৃত্যু!

জোনায়েদ হোসেন জুয়েল,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে সদরে ভুয়া পদবি ডাক্তার দ্বারা সিজারে অবহেলার কারণে রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।জানা যায় বুধবার ২৯ জানুয়ারি জেলা শহরের একরামপুর এলাকায় দি ল্যাব এইড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।এর আগেই  বিগত সময়ে এখানে সেন্টার হাসপাতাল ছিল যেখানে  ভুল চিকিৎকায় স্কুল শিক্ষকের মেয়ে মারা গিয়েছিল ৷দি ল্যাব এইড হাসপাতালে মারা যাওয়া ওই নারীর নাম আকলিমা আক্তার(৩৫)। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের কলাপাড়া এলাকার একজন সবজি ব্যবসায়ী আলম হাসানের স্ত্রী।ভুয়া পদবি  অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম ডা. তাবাসসুম ফেরদৌস। তিনি ওই হাসপাতালের গাইনি, বন্ধ্যাত্ব ও স্ত্রীরোগের চিকিৎসক ও সার্জন হিসেবে দায়িত্বরত আছেন৷

এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টা ৩০মিনিটে সন্তান প্রসবের জন্য আকলিমা আক্তারকে দি ল্যাব এইড জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান তার স্বামী ও আত্মীয়স্বজন। এ সময়  দায়িত্বরত ডাক্তার রোগীকে জরুরি সিজারের কথা বলেন। সিজারে নিয়ে যাওয়ার পর দুপুর ১টায় পর  হাসপাতালে সন্তানের জন্ম দেন আকলিমা।ঔই সময়  ততক্ষণে মৃত্যু পথযাত্রী তিনি। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ জানায়, সিজারের পর কোনোভাবে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা যাচ্ছে না। এই দিকে পেটে কাটা জায়গায় কোনোভাবেই সেলাই করা সম্ভব হচ্ছে না। জানা যায় রোগীর আত্মীয়রা কিছু বুঝে উঠার আগেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেরাই অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে দ্রুত রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়।মূলত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে সেখানে মারা যান তিনি।

নিহত আকলিমার স্বামী আলম হাসান বলেন, ‘আমার এক নিকট আত্মীয়ের কথায় দি ল্যাব এইড হাসপাতালে স্ত্রীর সিজার করতে নিয়ে আসি। সেখানে গিয়ে দায়িত্বরত ডাক্তার ও হাসপাতালের লোকজনের সঙ্গে কথা বলি। আমার স্ত্রীর এটি চতুর্থ সিজার ছিল। তারা বলেছে কোন সমস্যা নাই। ডাক্তার ও হাসপাতালের লোকজনকে   পারবে না- এ বিষয়টি আমাকে একবারও বলেনি। তাদের অবহেলার কারণে আমার স্ত্রী রক্তক্ষরণে মারা গেছে। রক্তক্ষরণ শুরু হলে তারা আমাদের না জানিয়ে নিজেরাই অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিয়ে যায়, সেখানে আমার স্ত্রী মারা যায়। আমি গরীব মানুষ, সবজির ব্যবসা করি।পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। আমি এর বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক হারুণ অর রশিদ বলেন, ‘আকলিমা ভর্তি হওয়ার পর তার সকল ধরনের পরীক্ষা করানো হয়েছিল। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। আমাদের সকল কাগজপত্র ঠিক আছে। ডাক্তারের কোনো সমস্যা নাই। এ ডাক্তার আরও অপারেশন করেছে। অপারেশন করলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। আমরা চেষ্টা করেছি কিন্তু অপারেশনের পর রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় আকলিমাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছি। সেখানে সে মারা যায়।’

অভিযোগ আসে চিকিৎসক ডা. তাবাসসুম ফেরদৌস নামের পাশে যে পদবি ব্যবহার করেছেন- এর মধ্যে একটি তথ্য ভুয়া। একই সঙ্গে সিজার করার মতো সরকারের পক্ষ থেকে কোন ডিগ্রি তিনি অর্জন করেননি।

হাসপাতালের চেম্বারে লেখা রয়েছে ডা. তাবাসসুম ফেরদৌস। তিনি এমবিবিএস, ডিএমইউ (আল্ট্রাসনোগ্রাম), পিজিটি (গাইনি অ্যান্ড অবস্), প্রাক্তন মেডিকেল অফিসার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। তিনি অনারারী মেডিকেল অফিসার, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ।

অনারারী মেডিকেল অফিসার হিসেবে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ডা. তাবাসসুম ফেরদৌস কর্মরত আছেন কি না জানতে চাইলে হাসপাতালটির পরিচালক ডা. হেলিশ রঞ্জন সরকার বলেন, ‘এ নামে কোনো চিকিৎসক তাদের এখানে কর্মরত নেই।মূলত প্রতারণা করে নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এটি বড় ধরনের প্রতারণা। বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলবেন।’

ডা. হেলিশ আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, ডা. তাবাসসুম সিজার না করা ভালো ছিল। তার সিজার করা ঠিক হয়নি, উচিতও না। কারণ সেই অভিজ্ঞতা ও সরকারের পক্ষ থেকে তিনি অনুমোদনপ্রাপ্ত নন।’

অভিযোগের বিষয়ে ডা. তাবাসসুমের ভিজিটিং কার্ডে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন আকলিমা আক্তার মারা যাওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবরটি জানার পর তার বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ‘আমি অফিসের কাজে ঢাকা রয়েছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD