
রাজশাহী ল্যাবরেটরিয়ান্স কমিটির বিতর্কিত সদস্যদের পদত্যাগ ও পুনর্গঠন চেয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি
রাজশাহী ব্যুরো
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদালয়ের তৎকালীন “খুনি” ভিসি ছাত্রদের ওপর যৌথ বাহিনী কে
ব্যবহার করে হামলা করেন এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পতনের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী দের
তোপের মুখে পদত্যাগ করেন। খুব লজ্জাজনক ও দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে উনি রাজশাহী সরকারি ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের
সাবেক একজন ছাত্র, বর্তমানে তিনি ORLABS (Old Rajshahi Laboratorians ) যেটা আমাদের রাজশাহী
ল্যাবরেটরিয়ান দের সাবেক ছাত্রদের সংগঠন তার সভাপতি হিসাবে আছেন। এরকম একজন কলঙ্কিত মানুষকে কখনও
ই আমাদের একজন লিডার হিসাবে মানতে পারি নাহ। যার পরিপ্রেক্ষিতে, সকল সাবেক ও বর্তমান ছাত্রবৃন্দ,
A.R.Labs ফেসবুক গ্রুপ এ তার পদতাগের বিষয়টি উত্থাপন করি। A. R. Labs বর্তমান এবং সাবেক সকল
ল্যাবরেটরিয়ান দের একটি অফিসিয়াল প্লাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করা হয়। গ্রুপ এ কথা উত্থাপন করা হলে সেইখানে
“ORLABS কমিটি” এর কতিপয় মানুষ সেটা কে বানচালের উদ্দেশ্যে সময় ক্ষেপণের করার চেষ্টা করে বিভিন্ন যুক্তি
দিয়ে। “খুনি হাসিনা” যেভাবে কোর্ট এর কথা বলে কোটা সংস্কার আন্দোলন বানচাল করতে চেয়েছিল সেভাবে পরবর্তী
মিটিং এর কথা বলে তারা সভাপতির পদত্যাগ এর বিষয় টি বানচাল এর চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং সভাপতির পদত্যাগ দাবি
করায় ৪ জন সাবেক ছাত্র কে কোন কারণ ছাড়াই “কমিটি” এর লোকজন A. R. LABS গ্রুপ থেকে বের করে দেই।
পরবর্তী সময় কারণ জানতে চাইলে “বড়দের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে” এরকম বাজে যুক্তি উপস্থাপন করে। পরবর্তী
সময়ে “কমিটি” এর মানুষজনের whatsapp কথোপকথন এর কিছু স্ক্রিনশট বের হয়ে আসে। যেখানে দেখা যাই,
যারা পদতাগের দাবি তুলেছিল তাদের কে নিয়ে “কটাক্ষ” করে বিভিন্ন কথা বলেছে “কমিটি” এর লোকজন।
এমত অবস্থায় “খুনি ভিসি” এর নেতৃত্বে তার অনুসারী ব্যক্তিদের ORLABS কমিটি থেকে অনতিবিলম্বে পদত্যাগ
করতে হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে নিরপেক্ষ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত কমিটি দিতে
হবে।