1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মনোহরদীতে ৪০০ গ্রাম চোলাই মদসহ ১ জন আটক,৮ মাসের কারাদণ্ড ঋণের চাপ ও পারিবারিক দুশ্চিন্তায় বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন, ব্যাংক নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু। রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহী থেকে দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ। রাজশাহীর বিনোদপুরে রেস্তোরাঁয় হামলা-ভাঙচুর, হাতবোমা বিস্ফোরণে পুলিশ সদস্য আহত পাঁচবিবিতে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচীর উদ্বোধন। বাংলা টিফিন রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন। বগুড়ার ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিটি কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে বিক্ষোভ, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা। “সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে বালিয়াকান্দিতে পুলিশের সচেতনতামূলক সভা”। রাজশাহীর মিষ্টিতে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, চেখে দেখলেন ঐতিহ্যবাহী প্যারা সন্দেশ ও দই

বন বিভাগের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে ‘উধাও’রেঞ্জ কর্মকর্তা। ডেইলি নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪
  • ২১২ বার পঠিত

বন বিভাগের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে ‘উধাও’রেঞ্জ কর্মকর্তা।

মোঃ আমিনুল ইসলাম শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুর বন বিভাগের বালিঝুড়ি রেঞ্জের সামাজিক বনায়নের গাছ বিক্রির প্রায় ৯ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন রেঞ্জ কর্মকর্তা রবিউল আলম। এই অভিযোগে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই রেঞ্জ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট আলাদা দুটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে শেরপুর জেলার গারো পাহাড়ের বন বিভাগের শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জের আওতায় প্রায় ২ শতাধিক সামাজিক বনায়নের বাগান টেন্ডারের মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়।

সরকারি আইন অনুযায়ী বাগান বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে (রাজস্ব খাতে) জমা দিয়ে গাছ কাটার অনাপত্তিপত্র নিয়ে বাগান কেটে নেবেন ঠিকাদার। পরবর্তীতে জমাকৃত টাকা থেকে বন কর্তৃপক্ষ বিক্রি করা মূল টাকার ৪৫ ভাগ অংশীদারি জনগণকে যার যার অংশ চেকের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেবে।

ঠিকাদাররা রেঞ্জার রবিউলের হাতে নগদ টাকা বুঝিয়ে দেন। এরপর তাঁরা তাদের নির্ধারিত বাগান থেকে গাছ কেটে নিয়ে যান। এদিকে টাকা পেলেও সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেননি রেঞ্জার রবিউল। এমনকি অংশীদারদের চেকের মাধ্যমে টাকাও প্রদান করেননি। ফলে টাকা না পেয়ে অংশীদাররা হন্যে হয়ে ঘুরছেন রেঞ্জ অফিসে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত চার বছর ধরে রেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর গেল চলতি বছরের গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি জামালপুরে বদলি হন। এর আগে দুই বছর তিনি ওই রেঞ্জেই বিট কর্মকর্তা হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।

এদিকে রেঞ্জার রবিউল ইসলাম বদলি হওয়ার পর বিষয়টি বন বিভাগের নজরে আসে। শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের বিষয় চলমান থাকায় তদন্ত কর্মকর্তারা কোনো তথ্য না জানালেও অপর একটি সূত্রে জানা গেছে ৯ কোটি টাকার হিসেব গরমিল ও রাজস্ব খাতে টাকা জমা না হওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছেন তদন্ত কমিটি।

গত ৭ জুন বালিজুরি রেঞ্জ কার্যালয়ে ঢাকা থেকে উচ্চপর্যায়ে এক তদন্ত কমিটি এলে ভুক্তভোগীরা তাদের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত রবিউল আলম ঠিকাদার সিন্ডিকেটের একটি বড় অংশের সঙ্গে গোপনে অংশীদার ছিলেন। ওই সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দিয়ে মিলেমিশে সরকার ও প্রকল্পের অংশীদার সাধারণের টাকা তছরুপ করেছেন। এখানে চাকরিকালীন সরকারি দলের এক কেন্দ্রীয় নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে মহা দাপটে চাকরি করেছেন। কেউ কিছু বললেই মামলা-হামলা করে ঠান্ডা করেছেন।

প্রকল্পের ভুক্তভোগী উপকারভোগীরা বলেছেন, বছরের পর বছর ধরে তারা বাগানে পাহারা দিয়েছেন। টাকা ও শ্রম খরচ করে আশায় বুক বেধে আছেন, টাকা পাবেন বলে। কিন্তু বাগান বিক্রি হলেও টাকা পাননি। এখন অনেক ঘুরছেন ওই কর্মকর্তার দ্বারে দ্বারে। ভয় ও অভয় দুটোই দিয়েছেন কিন্তু টাকা পাননি আজও।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেঞ্জার রবিউল আলমের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিয়েও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বালিজুরি রেঞ্জের বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তা সুমন মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি এখন তদন্তাধীন, তাই এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

ওই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটির কথা স্বীকার করে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘টাকার গরমিল আছে। তবে তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে আর মন্তব্য করা সম্ভব না।’

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD