
পুকুরের পাশে গাছের ডালে ঝুলেছিল মরদেহ
পুকুরের ধারে জাম গাছের ডালের সাথে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা একটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি উদ্ধারের পরে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের বাগিরবাড়িয়া গ্রামে ঘটেছে। পরিবাদের দাবী ও পুলিশের ধারণা মানসিক রোগ থেকে আত্মহত্যা হতে পারে।
নিহত ওই ব্যক্তি বাগিরবাড়িয়া গ্রামের গফুর মাস্টারের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫)। তার দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগের চিকিৎসা চলছিল। পরিবার, এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতের কোন এক সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে শফিকুল। ভোরে তার স্ত্রী তাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে সন্তানকে সাথে নিয়ে তার খোঁজ করতে শুরু করে। শনিবার (৪ মে) ভোরে কৃষকরা মাঠে ধান কাটতে যাওয়ার সময় পাশে পুকুর ধারে একটি জাম গাছের ডালে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় শফিকুল ইসলামের মরদেহ দেখতে পায়। ঘটনাটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা লাশ দেখতে ভিড় জমায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি জাম গাছ থেকে নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়। তার বেশ কিছুদিন থেকে মানসিক রোগের চিকিৎসা চলছিল বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন। পরিবারের দাবী সে আত্মহত্যা করেছে।
নিহতের স্ত্রী পপি খাতুন বলেন, আমরা রাতে খাবার খেয়ে একসাথে ঘুমাই। ভোর রাতে ঘুম থেকে উঠে দেখি সে বাড়িতে নাই। তাকে খোঁজাখুঁজি করলে সকালে বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ের জাম গাছে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাই। সে দীর্ঘদিন থেকে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। আমাদের ধারনা সে আত্মহত্যা করেছে। তার সাথে কারো কোন ঝামেলা ছিলনা।
রায়কালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ মন্ডলের নিকট হতে জানা যায় , সকালে তিনি মুঠোফোনে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছে । পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। সে মানসিক রোগ থেকে আত্মহত্যা করতে পারে বলে মনে হচ্ছে। আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নয়ন হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, শনিবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে মানসিক রোগ থেকে সে আত্মহত্যা করেছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।