1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগমারায় শিক্ষক দম্পতিকে মারধরের অভিযোগ। রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা ধামইরহাটে  বিস্ফোরক  মামলায় চেয়ারম্যান  গ্রেফতার। রাজশাহীতে ‘জেএফএ অনুর্ধ্ব-১৪ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ২০২৬’-এর উদ্বোধন রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ। রুয়েটের উপাচার্যের সাথে বিএইউইটির উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাত। আমের মৌসুমে রাজশাহীতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বানেশ্বর হাটে কৃষক-ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার; গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ যুবক নিহত, আহত একাধিক  ফরিদপুরে সরকারি খাস জমি ও খালের পাড় দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান।

মাদ্রাসায় এতিম বাচ্চাদের প্রতি স্বচ্ছল ব্যাক্তিদের সুদৃষ্টি আকর্ষণ। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ২০৭ বার পঠিত

মাদ্রাসায় এতিম বাচ্চাদের প্রতি স্বচ্ছল ব্যাক্তিদের সুদৃষ্টি আকর্ষণ

________________রাজশাহী ব্যুরো

রোজার শেষ দিকে বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসা বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসাগুলোতে এক করুন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ২৫ রোজা থেকে মাদ্রাসাগুলো ছুটি হতে থাকে। বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক এসে বাচ্চাদেরকে বাসায় নিয়ে যায়। কিন্তু একদল বাচ্চাকে নিতে কেউ আসে না। এদের কারো বাবা-মা নেই, কারো বাবা নেই, মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা অন্যত্র বিয়ে করে বাচ্চার খোঁজ রাখে না। খুব বেশি ভাগ্যবান হলে কারো কারো মামা, খালু , চাচা এসে কাউকে কাউকে নিয়ে যায়। বাকীরা সারাদিন কান্না করে। তারা জানে তাদেরকে কেউ নিতে আসবে না। তারা সারা বছর কাঁদে না। কিন্তু যখন সহপাঠীদেরকে সবাই বাসায় নিয়ে যায় অথচ তাদেরকে কেউ নিতে আসে না তখন তাদের দুঃখ শুরু হয়ে যায়। মৃত মা বাবার উপর তাদের অভিমান সৃষ্টি হয়, কেন তারা তাদেরকে দুনিয়ায় রেখে এই বয়সে মারা গেল? তারা কি আর কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে পারত না? মা বাবা বেঁচে নাই তো কী হইছে? মামা চাচারা কেউ তাদেরকে নিতে আসলো না কেন? মা বেঁচে থাকতে মামারা কত আদর করত! বাবা বেঁচে থাকতে চাচারা কত আদর করত! এই বয়সেই তারা দুনিয়ার একটা নিষ্ঠুর চেহারা দেখেছে। বছরের অন্যান্য সময়গুলো যে সকল বাচ্চার কেউ নাই তারা দেখতে পাই , তাদের অন্যান্য সহপাঠীদের পিতা – মাতা বা আত্মীয়স্বজন মাঝেমধ্যে এসে আদর করে খাবার দেয়,কিছু সময় ধরে কুশলাদি বিনিময় করে । তখন এক প্রকার কষ্ট নিয়ে দিনযাপন করে । আবার রোজার মাসে এই বেদনাদায়ক সময়টা তাদেরকে আরো কষ্ট দেই ।

তাই যাদের সামান্যতম সামর্থ আছে, তারা যদি কাছাকাছি এতিমখানা / মাদ্রাসায় গিয়ে কয়জন বাচ্চা ঈদে বাড়ি যায়নি খৌঁজ নেই , এবং তাদের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে পারে তাহলে সেখানে থাকা এতিম বাচ্চারা পিতা – মাতা না থাকার শোক অনেকটাই ভুলে যেত ।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD