মাদ্রাসায় এতিম বাচ্চাদের প্রতি স্বচ্ছল ব্যাক্তিদের সুদৃষ্টি আকর্ষণ
________________রাজশাহী ব্যুরো
রোজার শেষ দিকে বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসা বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসাগুলোতে এক করুন দৃশ্য দেখা যায়। সাধারণত ২৫ রোজা থেকে মাদ্রাসাগুলো ছুটি হতে থাকে। বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক এসে বাচ্চাদেরকে বাসায় নিয়ে যায়। কিন্তু একদল বাচ্চাকে নিতে কেউ আসে না। এদের কারো বাবা-মা নেই, কারো বাবা নেই, মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের মা নেই, বাবা অন্যত্র বিয়ে করে বাচ্চার খোঁজ রাখে না। খুব বেশি ভাগ্যবান হলে কারো কারো মামা, খালু , চাচা এসে কাউকে কাউকে নিয়ে যায়। বাকীরা সারাদিন কান্না করে। তারা জানে তাদেরকে কেউ নিতে আসবে না। তারা সারা বছর কাঁদে না। কিন্তু যখন সহপাঠীদেরকে সবাই বাসায় নিয়ে যায় অথচ তাদেরকে কেউ নিতে আসে না তখন তাদের দুঃখ শুরু হয়ে যায়। মৃত মা বাবার উপর তাদের অভিমান সৃষ্টি হয়, কেন তারা তাদেরকে দুনিয়ায় রেখে এই বয়সে মারা গেল? তারা কি আর কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে পারত না? মা বাবা বেঁচে নাই তো কী হইছে? মামা চাচারা কেউ তাদেরকে নিতে আসলো না কেন? মা বেঁচে থাকতে মামারা কত আদর করত! বাবা বেঁচে থাকতে চাচারা কত আদর করত! এই বয়সেই তারা দুনিয়ার একটা নিষ্ঠুর চেহারা দেখেছে। বছরের অন্যান্য সময়গুলো যে সকল বাচ্চার কেউ নাই তারা দেখতে পাই , তাদের অন্যান্য সহপাঠীদের পিতা - মাতা বা আত্মীয়স্বজন মাঝেমধ্যে এসে আদর করে খাবার দেয়,কিছু সময় ধরে কুশলাদি বিনিময় করে । তখন এক প্রকার কষ্ট নিয়ে দিনযাপন করে । আবার রোজার মাসে এই বেদনাদায়ক সময়টা তাদেরকে আরো কষ্ট দেই ।
তাই যাদের সামান্যতম সামর্থ আছে, তারা যদি কাছাকাছি এতিমখানা / মাদ্রাসায় গিয়ে কয়জন বাচ্চা ঈদে বাড়ি যায়নি খৌঁজ নেই , এবং তাদের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে পারে তাহলে সেখানে থাকা এতিম বাচ্চারা পিতা - মাতা না থাকার শোক অনেকটাই ভুলে যেত ।
প্রকাশক - শেখ রবিউল ইসলাম রবি, সম্পাদক - মোঃ আনিসুর রহমান, বার্তা সম্পাদক - শারীদ মোল্লা। অস্থায়ী প্রধান কার্যালয় - সোনারগাঁ,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা -বাংলাদেশ। Reg : TL-1061, fb: daily nayakontho, e-mail :[email protected], [email protected],web:www.dailynayakontho.com,
কপিরাইট © প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক নয়া কন্ঠ | Developed by UNIKBD.COM