1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) এর অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান। ডেইলি নয়া কণ্ঠ আমের রাজধানী রাজশাহীতে জমে উঠেছে আমের বাজার। ডেইলি নয়া কণ্ঠ রাজশাহীতে রিমালের কারণে  হচ্ছে তীব্র ঝড়বৃষ্টি। ডেইলি নয়া কণ্ঠ বালিয়াকান্দিতে প্রতিপক্ষের হামলায় অসহায় নারীর ঘর ভাংচুরের অভিযোগ। ডেইলি নয়া কণ্ঠ মদন উপজেলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই, চেয়ারম্যান প্রার্থী মমতাজ হোসেন চৌধুরী। ডেইলি নয়া কণ্ঠ পাংশায় মাদকসহ গ্রেপ্তার-৪। ডেইলি নয়া কণ্ঠ পবা উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষ্যে আরএমপির নোটিশ। ডেইলি নয়া কণ্ঠ মতিহার থানা পুলিশের মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। ডেইলি নয়া কণ্ঠ রাজশাহীতে ড্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন পা উদ্ধার। ডেইলি নয়া কণ্ঠ বিজ্ঞান কুইজ প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত তিলকপুর উচ্চ বিদ্যালয়। ডেইলি নয়া কণ্ঠ

বিএনপির সাংগঠনিক অ্যাকশন শীঘ্রই। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৪ বার পঠিত

বিএনপির সাংগঠনিক অ্যাকশন শীঘ্রই

মোঃ মোবারক হোসেন নাদিম
নিজস্ব প্রতিবেদক,

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সোমবার,
একদফার আন্দোলনে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসার কারণ চিহ্নিত করার পর শিগগিরই সাংগঠনিক অ্যাকশনে যাচ্ছে বিএনপি। গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠনগুলো রাজপথে কার্যকর ও প্রত্যাশিত ভূমিকা না রাখায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারবিরোধী আনসাফল্য আসেনি বলে মনে করে দলটি। এমন মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিগগির ভেঙে দেওয়া হচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি। এরই মধ্যে দুই সংগঠনের পুরো নেতৃত্ব বদলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে নিষ্ক্রিয় সাংগঠনিক জেলাগুলোও পুনর্গঠন করা হবে। রোজার মাসজুড়ে এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলবে। এ ছাড়া আগামী দিনে আন্দোলন জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে বহিষ্কৃতদের দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাংগঠনিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে গত কয়েক দিনে দলের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে হাইকমান্ডের সিরিজ বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘বর্তমান সরকার বিরোধী দল ও বিরোধী দলের সংগঠনকে নিশ্চিহ্ন করতে সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বাধাগ্রস্ত করছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যতদূর সম্ভব আমাদের দলকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছি। কমিটি গঠন, পুনর্গঠন একটা চলমান প্রক্রিয়া, এটা চলতেই থাকবে।’
বিএনপি এক বছরের বেশি সময় ধরে রাজপথে আন্দোলন করলেও চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। প্রত্যাশিত হারে নেতাকর্মীরা রাজপথে না নামায় গত বছরের ২৯ জুলাই ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রথম ধাক্কা খায় দলটি। ২৮ অক্টোবরের পর হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে সাংগঠনিক এই সীমাবদ্ধতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঢাকায় মহাসমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ শীর্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিএনপির তথ্য অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবরের পর থেকে তাদের ২৬ হাজারের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তার এড়াতে বাকি নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। ঘুরেফিরে অল্প কিছু নেতা হরতাল-অবরোধের সমর্থনে ঝটিকা মিছিল করেন। এ চিত্র রাজধানী ঢাকা থেকে দলের তৃণমূল পর্যন্ত সর্বত্র। হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও নেতাকর্মীরা প্রত্যাশিত হারে মাঠে নামেননি। এর মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টি সামনে চলে আসে—যা হাইকমান্ডের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে ৭ জানুয়ারির ভোট বর্জনের আহ্বান জানায় বিএনপি। তবে তাদের বর্জনের মধ্যেই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। বিএনপির দাবি, তাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ভোট বর্জন করেছে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের নৈতিক পরাজয় এবং তাদের নৈতিক বিজয় হয়েছে।
তবে রাজপথের কর্মসূচিতে সরকারের পতন না হওয়ায় নির্বাচনের পর পরই আন্দোলনের সাফল্য-ব্যর্থতার মূল্যায়ন শুরু করে বিএনপির হাইকমান্ড। এরই মধ্যে এ পর্যালোচনা শেষ হয়েছে। তার ভিত্তিতেই দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এখন সংগঠন পুনর্গঠনে হাত দিচ্ছে বিএনপি। এরই মধ্যে এ পুনর্গঠনের রূপরেখাও চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সেখানে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করার আলোচনা রয়েছে। সেটা সম্ভব না হলে সিলেকশনে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে।
জানা গেছে, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ছাত্র ও যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা রয়েছে হাইকমান্ডের। তবে এই প্রক্রিয়া রোজার মাস পর্যন্ত যেতে পারে।
সারাদেশে বিএনপির ৮২টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। দলের মূল্যায়ন, আন্দোলনে ২০ থেকে ২৫টি জেলার পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুধু এসব জেলা ও মহানগরে দল ও অঙ্গ সংগঠনের কমিটি ভেঙে আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয়দের দিয়ে কেন্দ্র থেকে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। এক্ষেত্রে কোনো কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও ওই কমিটির নেতারা আন্দোলনে সক্রিয় থাকলে সেই কমিটি বিলুপ্ত করা হবে না। রমজান মাসজুড়ে তৃণমূলে এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলতে পারে।
এদিকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ নানা কারণে বিভিন্ন সময় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়া নেতাদেরও দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকমান্ড। এক্ষেত্রে ২৮ অক্টোবরের পর থেকে আন্দোলনে যেসব নেতা নিজেরা সরাসরি মাঠে সক্রিয় ছিলেন কিংবা তাদের বলয়ের নেতাকর্মীরা রাজপথে ছিলেন এবং কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করেছেন, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এমন প্রায় ২৫ জন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। তাদের পদোন্নতি দিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আন্দোলন ও দল পুনর্গঠন সমানভাবেই চলছে। ২০২২ সাল থেকে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি শুরু হওয়ায় দল পুনর্গঠন কার্যক্রম কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। তবে ওই বছরও অনেক জেলায় সম্মেলন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়েছে। দু-একটি ছাড়া সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পুনর্গঠন হয়েছে। নির্বাহী কমিটির পদও প্রয়োজন মতো পূরণ করা হচ্ছে।’

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৩ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD