
রংপুর বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম জেলা জামাতের সাবেক: জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করার পর তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। শনিবার ( ৭ নভেম্বর) ভোগডাঙ্গা মডেল কলেজ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন কুড়িগ্রাম জেলা জামাতের আমীর – অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম সরকার স্বপন। এ সময় সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী গনের নামও ঘোষণা করা হয়। জামাতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল ও জনসাধারণের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কোনো জোটগতভাবে নয়, বরং এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আলোকেই প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য একক প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করেন জেলা জামাতের আমির। প্রার্থিতা ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই স্থানীয় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। মিছিলগুলো ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতা-কর্মীরা প্রার্থীর পক্ষে স্লোগান দেন এবং এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। মিছিল শেষে উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়। স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও জামায়াত সমর্থকরা জানান, সময়োপযোগী ও যোগ্য প্রার্থী দেওয়ায় তারা আনন্দিত। দল এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ায় নির্বাচনী মাঠ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং সাধারণ মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া পাঁচ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো তৃণমূল গোছাতে শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামীও একক শক্তিতে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে।
অনেকের মতে ২৫ বছরের একনায়কতন্ত্রের অবসান হতে চলেছে ইউনিয়নটিতে।