1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে দুর্বৃত্তকারীর ছুরির আঘাতে স্বামী নিহত স্ত্রী নিহত ও দুর্বৃত্তকারীকে আটক করেছে পুলিশ। ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে কুড়িগ্রামে বিএনপির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত। ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বর্জন বিএনপির, ডিসিকে ‘মুজিববাদী আমলা’ আখ্যা ‎ ঝিনাইদহে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন পঞ্চগড়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ: বাংলাদেশে নতুন করে কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হতে দেওয়া হবে না কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন ভোলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, প্রীতিভোজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাণীনগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

 

মোস্তাফিজুর রহমান লিটন রাজশাহী ব্যুরো

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

বাণীতে রাসিক প্রশাসক বলেন, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আমি রাজশাহী মহানগরবাসীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সিপাহী-জনতা বিপ্লবের মহানায়ক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানকে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। দেশ, জনগণ, স্বাধীকারসহ স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী সুগভির ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার স্বতঃস্ফুর্ত বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, এই বিপ্লবে বন্দীদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা নয়, এদেশে আধিপত্যবাদ বিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অভ্যুদয়ের সূচনা হয়। জাতি পেয়েছিল এক যোগ্য নেতৃত্ব জিয়াউর রহমানকে, যিনি ‘১৯৭১’ এ জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সফল রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী রাজনীতির উন্মেষ ঘটিয়ে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির মহাসড়কে উঠিয়েছিলেন। ৭ নভেম্বর বিপ্লবের সফলতার সিঁড়ি বেয়েই আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক মুক্তির পথ পেয়েছি। আর সেজন্যই আমাদের জাতীয় জীবনে এই বিপ্লবের গুরুত্ব অপরিসীম। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম, সাহস ও সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রেরণা জোগায়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদী চেতনা ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার দর্শন আমাদের জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণার উৎস। তাঁর আদর্শ ধারণ করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আসুন, আমরা পারস্পরিক বিভেদ ভুলে ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করি এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করি। আমি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD