
মোঃ চানমিয়া শিকদার (স্টাফ রিপোর্টার):
দেশের সার্বিক বিবেচনায় এ বছর গোপালগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে এসেছে আলোচনার শীর্ষে ।
গোপালগঞ্জ পুরো জেলাতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১১৩ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে গতবারের তুলনায় এ বছর অনেকটাই বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা গোপালগঞ্জে । স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে জনসচেতনতা পারিবারিক সুরক্ষা ব্যক্তি সুরক্ষা সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দিকনির্দেশনা মেনে চলার ভিতর দিয়ে ডেঙ্গু সমস্যার সমাধান হতে পারে এমনটাই জানিয়েছেন এই দপ্তরটি। গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে উপচে পড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা মাথাব্যথা জ্বর পেট ব্যথা পাতলা পায়খানা শরীরে বিভিন্ন জ্বালা যন্ত্রণা এ ধরনের উপশম নিয়ে ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে।শিশু থেকে বৃদ্ধ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এবছর এই ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এমনটাই তথ্য দৈনিক নয়া কন্ঠের হাতে এসে পৌঁছেছে ।
ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ কি এ বিষয়ে দৈনিক নয়া কন্ঠের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন জনাব ডাঃ আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুকের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন বাড়ির আঙ্গিনা খোলা ডাবের খোসা ফুলের টব আশেপাশে পানি জমা নালা স্যাঁতশ্বেতে জায়গা নির্ণয় করার মাধ্যমে এবং সকলের জনসচেতনতার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিকার করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন । এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে দিকনির্দেশনা ও মশা নিধন কর্মসূচি চলমান রয়েছে । ডেঙ্গু প্রতিরোধে গোপালগঞ্জ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব এ এইচ এম রফিকুল ইসলামের নিকট দৈনিক নয়া কন্ঠে পক্ষ থেকে মুঠোফোনে জানার চেষ্টা করলে তিনি বলেন প্রতিদিন সরকারি দিকনির্দেশনা মেনে ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গোপালগঞ্জ পৌরসভায় সকাল আটটা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ১৫ টি মেশিন ডেঙ্গু মশা নিধনে শিফটিং ওয়াইজ একযোগে কাজ করে যাচ্ছে ।
গোপালগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন বলেন,চলতি অক্টোবর মাসের শেষের দিকে ডেঙ্গুর প্রভাব বৃদ্ধি পেলেও চিকিৎসা সেবার কোন ঘাটতি নেই গোপালগঞ্জ জেলাতে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে এ বছরে সর্বমোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ১৭৩১ জন মারা গেছেন ১ জন চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বাকি সকল রোগী। তিনি আরো বলেন চিকিৎসা সেবায় কোন ঘাটতি নেই আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি সরকারি দিকনির্দেশনা মেনে তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিকার করা জরুরী তাই সাধারণ জনগণের সচেতনতাই রুখে দিতে পারে ডেঙ্গুর এমন প্রকোপ এমনটাই বলেছেন গোপালগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ।