
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ চানমিয়া শিকদার:
রাষ্ট্র সরকারের নিয়ম নীতিমালা উপেক্ষা করে ইচ্ছামত আসছেন অফিসে নিজেদের তাবেদারিতে চলছে অফিস ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। সাধারণ সেবা গ্রহীতা, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশের স্থানীয় জনতা, দৈনিক নয়া কন্ঠের পক্ষ থেকে সরোজমিনে তদন্ত, সবকিছু মিলিয়েই উঠে এসেছে এক ভয়ঙ্কর তথ্য গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বে থাকা, সহকারি পরিচালক ( এডি ) নাহিদ নেওয়াজ, তার সহকারি অমিত কুমার পাল এবং অমিত কুমার পালের সহকারি বাপ্পু মিত্র এই তিনজনের বিরুদ্ধে । মূলত এই তিনজন কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সিন্ডিকেট নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন শক্তভাবে। এই সিন্ডিকেটের মূল সেনাপতি অমিত কুমার পাল দ্বিতীয় তলার ২০৬ নাম্বার রুমে বসে সকল কিছুই নিয়ন্ত্রণ করেন সহকারি পরিচালক নাহিদ নেওয়াজের নির্দেশে আর নিচ তলায় ১০১ নম্বর রুমে বসে সকল ফাইল এবং দায়িত্ব পালন করেন বাপ্পু মিত্র। টাকা ছাড়া ফাইল চলেনা অনিয়ম ছাড়া অফিস চলে না সিন্ডিকেট ছাড়া হয় না কোন কাজ ঘুষ দুর্নীতিতে ভরে গেছে গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এমনটাই ভয়ংকর তথ্য এসেছে দৈনিক নয়া কণ্ঠের কাছে ।
গোপালগঞ্জ জেলা সহ আশেপাশে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা সাধারণ সেবা গ্রহিতারা এ বিষয়ে রাষ্ট্র সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। তারা বলেন দিনের পর দিন মাস বছর পেরিয়ে গেলেও এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারছে না কেউ তার ফলে সময়মতো পাসপোর্ট হাতে পাওয়া যাচ্ছে না অনেক সময় টাকা দিয়েও মিলছে না পাসপোর্ট বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখাচ্ছেন এই তিনজন কর্মকর্তা । এ বিষয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে ভুক্তভোগীরা গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেনজানা গেছে।দৈনিক নয়া কণ্ঠ এই নিউজ কাভার করার পূর্বে সরজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায় এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে ভলেন্টিয়ার ব্যবস্থা এবং এই ভলেন্টিয়ারের দায়িত্বে রয়েছেন উক্ত পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য এবং অফিস গেটের বাইরের রয়েছে ৫০ থেকে ৬০ জন দালাল চক্র যাদের সঙ্গে সক্রিয় ও সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে পাসপোর্ট অফিসের উক্ত তিন কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে। মূলতপক্ষে বহিরাগত দালাল ও আনসার সদস্যের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ জনতার টাকা-পয়সা চলে যায় উক্ত তিন কর্মকর্তা কর্মচারীর কাছে এমনটাই তথ্য পাওয়া গেছে । এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক জনাব আরিফুজ্জামানের বলেন, গোপালগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নানান ধরনের অনিয়ম ঘুষ দুর্নীতি অব্যবস্থাপনা ও সিন্ডিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ পেয়ে তদন্তের আদেশ দিয়েছি। তদন্তের সত্যতা প্রমাণিত হলে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হবে ।