1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাউনিয়ায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলী (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, জাতীয় পরিসংখ্যান ও সমবায় দিবস উদযাপন বালিয়াডাঙ্গীতে সমবায় দিবস উদযাপন, সমিতি ১৭১টি দামুড়হুদায় বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন ডেভিস কাপ খেলতে ভিয়েতনাম যাচ্ছেন রাজশাহীর কৃতি টেনিস খেলোয়াড় রাকীন বাংলাদেশ তৃণমূল প্রেস সোসাইটির ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সিংড়ায় জোলারবাতা এলাকা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, মেলেনি পরিচয় রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বরে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি র মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ব্রাইট মডেল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক জাহিদ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোদাগাড়ীতে ১১৬ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার, মোটরসাইকেল ও মোবাইল জব্দ

টাকার অভাবে মেলেনি ট্রলি, কোলে অক্সিজেন নিয়ে ছোটাছুটির পর শিশুর মৃত্যু

  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬৩ বার পঠিত

 

শাহীন আলম, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:

 

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ চার বছরের এক শিশুকে ট্রলিতে করে জরুরি বিভাগে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে স্বজনরা শিশুটিকে কোলে নিয়ে অক্সিজেন ও স্যালাইনসহ হাসপাতালে ছোটাছুটি করেন। এর কিছু সময় পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

 

মৃত শিশুটির নাম রুহুল আমিন। সে ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে।

 

স্বজনদের দাবি, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রুহুল আমিনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়ার জন্য ট্রলি চাওয়া হলে তাদের কাছে টাকা দাবি করা হয়। অর্থ দিতে না পারায় ট্রলি না পাওয়ার অভিযোগ করেন তারা। পরে বাধ্য হয়ে শিশুটিকে কোলে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়।

 

এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় ৩২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি অসুস্থ শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে যাচ্ছেন। শিশুটির মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো ছিল। তার পাশে একজন অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং আরেকজন স্যালাইন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতেও শোনা যায়।

 

স্বজনরা জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহুল আমিনের মৃত্যু হয়।

 

তবে ট্রলি না পাওয়ার কারণে চিকিৎসায় কোনো ধরনের বিলম্ব হয়েছিল কি না এবং সেই বিলম্বের সঙ্গে শিশুটির মৃত্যুর সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

ঘটনাটি নিয়ে হাসপাতালের সেবা ব্যবস্থা ও রোগীদের জন্য জরুরি পরিবহন সুবিধা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD