1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের আমতলী উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি গ্রেফতার বাউফলে দীর্ঘ ৭-৮ বছরের জনদুর্ভোগের অবসান: ৪৫০ ফুট সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটিয়া প্রজ্জ্বলিত মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক গ্রুপ ক্যাম্প ও দীক্ষা অনুষ্ঠান সম্পন্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডুসাকের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি মীর মোরসালিম ও সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. নাছরুল্লাহ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লচাঁদপুরশাহ্তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা পাঠব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরশাহ্তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা পাঠ পবিপ্রতিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদক ও সত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে হবে– আনিসুর রহমান আনিস যথাযোগ্য মর্যাদায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে জিপিএ-৫ (A+) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরের বাস খাদে, প্রাণ গেল শিক্ষিকাসহ ২ জনের

অগ্রণী ব্যাংকের লালদিঘি শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও!

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত

অগ্রণী ব্যাংকের লালদিঘি শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও!

চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘির পাড় জেলা পরিষদ ভবনে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির লালদিঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার ক্যাশ ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও হয়ে গেছে। গত ৯ আগস্ট নিয়মিত পরীক্ষায় বিষয়টি ধরা পড়ে।

এ ঘটনায় ১০ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি লালদিঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন। এতে কামরুল হোসেন ও জাফরুল্লাহ তানভীরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, কামরুল হোসেন ওই শাখার ক্যাশ ও ভল্টের দায়িত্বে ছিলেন। ৯ আগস্ট নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম ও লেনদেন শেষে নগদ অর্থের হিসাব এবং ভল্টে সংরক্ষিত নগদ অর্থের হিসাব মেলানোর সময় গরমিল ধরা পড়ে

পরবর্তী হিসাব-নিকাশ, ভল্টের হিসাব, সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র ও নথি যাচাই করে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ঘাটতি পাওয়া যায়। কামরুল হোসেন ঘাটতির বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরে ব্যাংকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, জাফরুল্লাহ তানভীরসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহায়তায় তিনি ব্যাংকের ভল্ট থেকে টাকা সরিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন

মামলার এজাহারে কামরুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ভল্টে টাকা জমা দেওয়ার সময় ১ হাজার টাকার বড় বান্ডিলের ভেতরে ১০০ টাকা বা তার কম মূল্যমানের ছোট নোট ঢুকিয়ে বান্ডিল সাজানো হতো। এতে বাইরে থেকে বান্ডিল দেখে ভল্টে টাকা রয়েছে বলে মনে হলেও প্রকৃত অর্থের পরিমাণ কম থাকতো। জাফরুল্লাহ তানভীর দেখাশোনা করার শর্তে ওই অর্থ বিনিয়োগ করে হাটহাজারীর উত্তর বুড়িশ্চর এলাকায় ‘ইশরাত এগ্রো’ নামের একটি গরুর খামারের কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমানে সেখানে ৫০ থেকে ৬০টি বিভিন্ন জাতের গরু রয়েছে।

মামলার আসামি জাফরুল্লাহ তানভীরের বাবা আজিম উল্লাহ জানান, আমার ছেলে কোনো ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারী নয় এবং অগ্রণী ব্যাংকের লালদিঘি শাখার গ্রাহকও নয়। সে দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনভাবে গরুর খামারের ব্যবসার সাথে যুক্ত। অথচ তাকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ব্যাংকের ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় জড়ানো হয়েছে। এমনকি ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমার ছেলের কাছে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ হস্তান্তরের কোনো প্রকার রেকর্ড বা প্রমাণ দেখাতে পারেনি। গত ৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টার দিকে আমার স্ত্রীর মোবাইলে ব্যাংক থেকে ফোন করে জানানো হয় যে, আমার ছেলে লালদীঘি ব্যাংক শাখায় আটক আছে। এর আগে, অন্যান্য দিনের মতোই ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ কামরুল হোসেন ফোন করে আমার ছেলেকে ব্যাংকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, রাতে সাত-আটজন আত্মীয়সহ ব্যাংকে গেলে কর্তৃপক্ষ আমাদের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ায় আমরা কোতোয়ালী থানায় উপস্থিত হয়ে বিষয়টি ওসিকে অবহিত করি। রাত আনুমানিক ২টায় পুলিশের উপস্থিতিতে ব্যাংকে পুনরায় গেলে পুলিশ আমার ছেলে এবং ক্যাশ ইনচার্জ কামরুল হোসেনকে হেফাজতে নেয়। আমার ছেলে গরুর খামার ব্যবসায়ী। ক্যাশ ইনচার্জ কামরুল হোসেনের সাথে তার পূর্বপরিচয় ছিল এবং তিনি ব্যবসায় খা্টানোর জন্য মাঝে মাঝে লভ্যাংশে টাকা দিয়ে লাভসহ ফেরত নিতেন। কিন্তু ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আমার ছেলেকে দেওয়ার সপক্ষে কোনো বৈধ প্রমাণাদি আমাদের দেখানো হয়নি। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ব্যাংকে ডেকে নিয়ে কৌশলে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর বানিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম জজ কোর্টের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, ভল্টে এত বড় অঙ্কের অর্থের ঘাটতি পাওয়া গেলে শুধু ক্যাশ ইনচার্জের দায় দেখেই বিষয়টি শেষ করা যাবে না। শাখা ব্যবস্থাপনার তদারকি ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও তদন্তের আওতায় আসা উচিত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইকবাল হোসেন পূর্বকোণকে বলেন, গ্রাহকের ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় এজাহারনামীয় দুই আসামি কামরুল হোসেন (৪১) ও জাফরুল্লাহ তানভীরকে (২৫) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ ও তথ্যের রেকর্ডসহ ৬৪ জিবির একটি পেনড্রাইভ জব্দ করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত চলছে

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD