1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দাবি করে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন। প্রতিষ্ঠান বনাম ব্যক্তি: আদ্-দ্বীন তদন্তে কারা আড়ালে? ফরিদপুরে পল্লী কবি জসিম উদদীনের বাড়িতে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন। চট্টগ্রাম আনোয়ারায় নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার রাজশাহীতে আরএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে তিন কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবা। মহেশপুরে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু। মেহেরপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল ইজিবাইক, শিশু-নারীসহ আহত ৪। মহেশপুরে জমাজমি বিরোধে গুরুত্বর আহত ২ জনের অবস্থা আশস্কাজনক। গণরায় বাস্তবায়ন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে ডা.শফিক। রাজশাহীতে পৃথক অভিযানে নারীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ অর্থ উদ্ধার।

১৬ ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া যুবদল নেতা মিলন ১৫ই নভেম্বরের মামলায় ফের কারাগারে৷

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৭৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

 

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে কারাগারে থাকা যুবদল নেতাকে একাধিক মামলায় জড়ানো ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে

ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় সংঘটিত একটি হত্যা মামলায়ও তাদের সন্তানকে আসামি করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ডিবি পুলিশের এক কর্মকর্তা তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।

জানা যায়, ১০ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লতিফপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: মিলন (পিতা: দেলোয়ার হোসেন, মাতা: বিলকিস বেগম) পূর্বে একটি রাজনৈতিক মামলায় অভিযুক্ত হন।

পরিবার সূত্রে দাবি, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দায়ের করা একটি ‘মিথ্যা’ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে। এর আগে তিনি প্রায় সাড়ে তিন বছর প্রবাসে ছিলেন এবং ১৪ আগস্ট ২০২৪ দেশে ফেরেন। দীর্ঘ ১৫ মাস কারাভোগের পর ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে জামিনে মুক্তি পান।

 

এদিকে, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় আবুল কালাম জহির প্রকাশ ‘বাবা জহির’ নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই ঘটনার সময় মিলন কারাগারে ছিলেন। অথচ জামিনে মুক্তির পর ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে বাজারে কাজ করতে গেলে ডিবি পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়।

পরিবারের অভিযোগ, ডিবি কার্যালয়ে এক কর্মকর্তা মিলনের কাছে পূর্বের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তথ্য জানতে চান। একপর্যায়ে তাকে জহির হত্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে প্রথমে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং পরে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করছে এলাকাবাসী।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD