1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আষাঢ়ের প্রথম দিনে রাজশাহী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: ১ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার ওয়ার্ড পর্যায়ে নাগরিক সেবা আরও জোরদারের নির্দেশনা রাসিক প্রশাসকের পত্নীতলায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত। মৎস্যখাতের উন্নয়নে বালিয়াকান্দিতে ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। শ্যামলতা প্রথম বর্ষার ভালোবাসা  চট্টগ্রাম আনোয়ারায় মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার। বর্ষার প্রথম দিন আজ । কালুখালীতে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা

ঈদে মিলাদুন্নবীতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য: প্রশ্নবিদ্ধ প্রধান শিক্ষক আবুবক ছিদ্দিকে ভূমিকা!!

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২১ বার পঠিত

 

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সারাদেশে সেই অনুসারে আয়োজনও হয়—মিলাদ মাহফিল, হামদ-নাত, নবীজির (সা.) জীবনীভিত্তিক আলোচনা। কিন্তু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ে ছিল না কোনো আয়োজন, না ছিল ধর্মীয় কোনো পরিবেশ।
বরং উল্টো বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিকের সিদ্ধান্তে—যা সরাসরি সরকারি নির্দেশনার লঙ্ঘন।
২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে একটি নির্দেশনায় বলা হয়—১৪৪৭ হিজরির ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযথভাবে পালনের জন্য দেশের সকল মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, হামদ-নাত পরিবেশন করতে হবে।
এই নির্দেশনার আলোকে দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আয়োজন করা হয় ধর্মীয় কর্মসূচি। কিন্তু আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয় ব্যতিক্রম!
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ—প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিক সরকারি কোনো চিঠি, নির্দেশনা বা দপ্তর আদেশকে গুরুত্ব দেন না। আগেও তিনি নানা গুরুত্বপূর্ণ দিবস বা অনুষ্ঠানে অবহেলা করেছেন। এবারের ঘটনা যেন ‘চূড়ান্ত সীমা’ পেরিয়ে গেছে।
একজন অভিভাবক বলেন,
“শুধু ধর্ম নয়, এটা রাষ্ট্রীয় নির্দেশও। আমাদের সন্তানদের ধর্মীয় আদর্শ শেখানোর এমন দিনে এমন অবজ্ঞা মেনে নেওয়া যায় না।”
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা প্রত্যাশা করেছিল মিলাদ, আলোচনা বা কমপক্ষে একটি ধর্মীয় পরিবেশ। কিন্তু বিদ্যালয় বন্ধ দেখে তারা হতবাক।
স্থানীয় সমাজসেবী ও ধর্মপ্রাণ জনগণ বলেন—এই ঘটনা শুধু অবহেলা নয়, এটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত।
প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিক অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি প্রায়ই বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজেও একক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।
জেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে—“লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
এলাকাবাসী এখন শুধু নিন্দা নয়, সরাসরি বিভাগীয় তদন্ত ও প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিকের অপসারণ বা পদত্যাগ দাবি করছেন। স্থানীয় মসজিদের ইমাম বলেন,
“শিক্ষক যদি ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে গড়িমসি করেন, তাহলে তিনি কিসের আদর্শ?”
এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও উঠে এলো প্রশ্ন—একজন প্রধান শিক্ষক কীভাবে সরকারি নির্দেশনা অবজ্ঞা করে নিজ ইচ্ছামতো প্রতিষ্ঠান চালাতে পারেন? ধর্মীয় অনুষ্ঠানের প্রতি এমন অবহেলা কতটা গ্রহণযোগ্য?
যদি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা না হয়, তবে তা আরও প্রতিষ্ঠানকে নেতিবাচক দৃষ্টান্ত অনুসরণের সুযোগ করে দেবে।
প্রশাসনের উচিত, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনা।
প্রধান অভিযোগ:
সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা ধর্মীয় অনুষ্ঠান না করা একক সিদ্ধান্তে স্কুল বন্ধ আগেও অনিয়মের অভিযোগ
এলাকাবাসীর দাবি:
বিভাগীয় তদন্ত
পদত্যাগ/অপসারণ
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ৷

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD