
মো:ফারুক আহমেদ টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের এক অনুপম আদর্শ ও নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মোঃ সাইফুল ইসলাম। প্রত্যন্ত চর এলাকার এই কৃতি সন্তান তার অসামান্য সদগুণ, নিরলস জনসেবা ও অটুট নৈতিকতাবোধের মাধ্যমে শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, একজন আস্থাভাজন অভিভাবক এবং সমাজহিতৈষী হিসেবেও এলাকাবাসীর হৃদয়ে উচ্চ আসন লাভ করেছেন। গত জুলাই মাসে সংঘটিত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি আন্দোলনে তিনি দেশমাতৃকার স্বার্থে নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে বিপন্ন করেও বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পাশে অকুতোভয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার পাশেই দাঁড়াননি, বরং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অটল ও অকপট সংগ্রামের মাধ্যমে একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক এবং নীতিনিষ্ঠ নেতার পরিচয় দিয়েছেন। এই ঘটনা তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তা এবং দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসারই প্রতিফলন বহন করে। মোঃ সাইফুল ইসলামের জনসেবার অঙ্গীকার কখনোই কেবল মঞ্চের ভাষণ বা রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। বরং, তা প্রতিনিয়ত কাজের মাধ্যমে মাঠে-ময়দানে প্রতিফলিত হয়। তিনি প্রাতান্ত চর এলাকায় বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম পিন্টুর জন্য দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন এবং তার সৌজন্যে বন্যার্তদের মাঝে শার্ট-লুঙ্গি বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখেন। এভাবেই তিনি পিন্টু সাহেবের আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন। গাবসারা ইউনিয়নে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে বন্যা বা নদীভাঙনের সময় তিনি সর্বপ্রথম এগিয়ে আসেন ক্ষতিগ্রস্ত, হতদরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে থাকেন। তাঁর উন্নয়নমূলক কাজের তালিকা অত্যন্ত ব্যাপক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: · বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ভবন নির্মাণের সহায়তা ও সংস্কার কাজে ভূমিকা পালন। · অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ, সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণে আর্থিক সহযোগিতা। · গাবসারা ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য একাধিক খেলার মাঠ উন্নয়ন ও সংস্কার করা এবং স্থানীয় ক্রীড়া আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করা। · ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কাঁচা রাস্তা নির্মাণ, মেরামত ও উন্নয়নের মতো মৌলিক কাজে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো। বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম পিন্টুর সৌজন্যে নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক সভা, সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা, যেখানে নেশামুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার গুরুত্ব ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা। ব্যক্তিগত জীবনে মোঃ সাইফুল ইসলাম এক কথায় একজন খাঁটি, সহজ-সরল মানুষ। তাঁর চরিত্রের মূল ভিত্তি হলো বিনয়, সময়ানুবর্তিতা ও অপরিসীম ধৈর্য। ক্ষমতা বা অবস্থান তাঁকে অহংকারী বা আত্মম্ভরিতায় ভরিয়ে দেয়নি। তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সাথে সমান আচরণ ও স্নেহ-সম্মানের বন্ধনে আবদ্ধ। এই নিরহংকারী, সাদাসিধে গুণাবলীর জন্যই তিনি সকলের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও স্নেহের পাত্র হিসেবে আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সম্ভাবনায় এগিয়ে। তিনি শুধু সেবাই করেন না, পাশাপাশি সর্বদা অন্যায়, অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একজন সোচ্চার যোদ্ধা। কোনো অন্যায় ঘটলে তিনি তাৎক্ষণিক ও স্পষ্টভাবে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করেন, যা বর্তমান সময়ের নেতার জন্য এক বিরল ও প্রশংসনীয় হিসেবে ইতোমধ্যেই তিনি সমাজের সকল স্তর ও মতাদর্শের মানুষের নিকট একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে ব্যাপক স্বীকৃতি ও পরিচিতি লাভ করেছেন। প্রত্যন্ত চর এলাকার মানুষ তাকে আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। গরিব-দুঃখী, বিধবা ও অসহায় মেহনতি মানুষের পাশে তিনি একজন অবিচল অভিভাবক। তাঁর এই নিরন্তর ও নিঃস্বার্থ সাধনা তাঁকে সর্বমহলে ‘গরিবের বন্ধু’ ও ‘জনদরদী নেতা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রত্যন্ত চর এলাকার মানুষের স্বপ্ন পূরণে বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম পিন্টুর সহযোগী হিসেবে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছেন। গাবসারা ইউনিয়নবাসীর আস্থা, অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও ব্যাপক প্রত্যাশা, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। স্থানীয়রা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, মোঃ সাইফুল ইসলামের মতো মেধাবী, সৎ, দূরদর্শী ও জনবান্ধব নেতাই পারেন গাবসারা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং এটিকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে। তাঁর নেতৃত্বেই গাবসারা একটি আধুনিক, সুখী ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে বলে সকলের দৃঢ় বিশ্বাস।