
রাজশাহী ব্যুরোঃ
রাজশাহী শহরে অসংখ্য ও স্বায়িত্ত শাসিত সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে । প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ শিক্ষার্থীরা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য অসম্মান করে শহরের স্থানীয় বাসিন্দাদের । বহিরাগত বলে সম্বোধন করে আসছে ধারাবাহিকভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ।
একটি কনসার্ট কে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটা শব্দ বেশি ব্যবহার করে আসছে “বহিরাগত” এ ছাড়াও দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলো অনুরূপ একই শব্দ ব্যবহার করে থাকে।
বিষয় হচ্ছে
১. রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের অর্থে চলে এসব প্রতিষ্ঠান।
২.শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন সহ শিক্ষার্থীর হলে থাকা খাওয়া চিকিৎসা পেয়ে থাকে নাম মাত্র মূল্যে।
৩. শিক্ষা উপকরণ সহ অনেক কিছু কিনা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের টাকায় অথচ এই মানুষ গুলোকে কথায় কথায় বহিরাগত শব্দ ব্যবহার করে ছোট করে আসছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মার্জিত যে কেন প্রতিষ্ঠানে গেলে সেখানে তারা অতিথি, গেস্ট বলে সম্মান জানাবে এবং ক্যম্পাসের নিয়ম অনুযায়ী খাতাতে আপনার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য নিয়ে ভিজিটর আইডি যদি থাকে তা সম্মানের সহিত প্রদান করে থাকে ।
কোথাও কোন রকম ” বহিরাগত ” শব্দ যা আপনার মানহানিকর শব্দ ব্যবহার করে না, এটাই শিক্ষা
অথচ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা পীঠ l
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি চিত্র বিনোদন ও খেলাধুলার প্রয়োজন অপরিসীম। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ যে কোন অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারেন এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় । রাজশাহীবাসীর নাক গলানোর অধিকার বা কোন প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না l তার আপত্তি একটাই , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে কোন অনুষ্ঠান আয়োজনের পূর্বে লিখিত বা অলিখিতভাবে ঘোষণা দেন বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ নিরাপত্তার স্বার্থে l
এমন আপত্তিকর নোটিশ রাজশাহীবাসীদের প্রশ্নবিদ্ধ করে ।
শিক্ষক কর্মচারী শিক্ষার্থীরা আমাদের শহরের আলাদা কেউ নয়,দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষার্থীরা আসেন পড়াশোনা করতে এরা আমাদের ঘরের সন্তান , হতে পারে জেলা বিভাগ আলাদা l আমরা একই রাষ্ট্রের সুনাগরিক উভয় পক্ষকে আলাদা ভাবার কোন সুযোগ নেই l
শহরের সাধারণ মানুষ দোকানপাট যানবাহন ফুটপাতে বই খাতা পেন বিক্রি করে ব্যবসার মাধ্যমে সেবা দিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মলগ্ন থেকে , তাই প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে তার আবেদন অভ্যন্তরীণ নোটিশে গেটের ফটকে বা বিভিন্ন স্থানে বেপরোয়া ভাবে “বহিরাগত ” শব্দ লিখুন উচ্চারণ থেকে বিরত থাকুন , মার্জিত ভাষায় অতিথি গেস্ট দর্শনার্থী মেহমান ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান ।