1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বায়েক,পুটিয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে হাসান নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত। ডেইলি নয়া কণ্ঠ রাজশাহীতে ছবি তোলার অপরাধে সাংবাদিক গ্রেফতার, অতঃপর মুক্তি। ডেইলি নয়া কণ্ঠ গাংনী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির একসহ ১০ চেয়ারম্যান প্রার্থী। ডেইলি নয়া কণ্ঠ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য র‍্যালী আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত। ডেইলি নয়া কণ্ঠ একজন মানবতার ফেরিওয়ালা আরমান মোল্লা। ডেইলি নয়া কণ্ঠ পোরশা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন যারা। ডেইলি নয়া কণ্ঠ গোমস্তাপুরে সারে ৬ হাজার কৃষক পেলেন সার ও বীজ। ডেইলি নয়া কণ্ঠ শাহমখদুম থানার অপহরণ মামলার ২ আসামি গ্রেফতার। ডেইলি নয়া কণ্ঠ কলেজ শিক্ষার্থীর ডান চোখ উপড়ে ফেলার পর বাম চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। ডেইলি নয়া কণ্ঠ ভোলায় স্বামীর অত্যাচার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করলো স্ত্রী। ডেইলি নয়া কণ্ঠ

উচ্চ শিক্ষিত হয়েও কাপড় বিক্রি করছে সিরাজগঞ্জের তাঁতি রানী আমিনা, শোনালেন সফলতার গল্প। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৫১৭ বার পঠিত

উচ্চ শিক্ষিত হয়েও কাপড় বিক্রি করছে সিরাজগঞ্জের তাঁতি রানী, শোনালেন সফলতার গল্প

রুকনুজ্জামান রাসেল ঃ সিরাজগঞ্জ

লেখা পড়া শেষ না হতেই ২০১৯ সালে থেকে কাজ শুরু করে নিজ জেলার তাঁত পন্য নিয়ে।
ই কমার্স,, এফ কমার্স সেক্টরকে কাজে লাগিয়ে এখন নিজে একজন অনলাইন সফল উদ্যোক্তা/ সেলার উদ্যোক্তা।

সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার,  তামাই গ্রামের আমিনা খাতুন, যিনি অদম্য সাহসিকতা নিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই সফলার পিছনে রয়েছে অনেক ইতিহাস,, পেয়েছেন তাঁতী রাণীর খেতাবও।

আসুন তাঁতি রানীর মুখ থেকেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফলতার কথা শুনি।

আগ্রহ যতোটা প্রবণ ছিলো বাস্তব ভাবে দেখতে গেলে আমার কাছে ততোটা সহজ ছিলো না।

অনেক কষ্ট, পরিশ্রম করেছি লাগামহীন পাগলের মতো ছুটেছি জন্য আজকে আমার এই অবস্থান।
আমি বিশ্বাস করি আমি পরিশ্রম করতে পারি কারন একটাই। পরিশ্রম করি জন্য এখন ও আমি টিকে আছি আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আমার সকল কাজ নিজ হাতে একাই করে থাকি।
মাত্র ৭০০ টাকা দিয়ে আমি শুরু করেছিলাম আমার এই ব্যবসা।

তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আমি এগিয়েছি হয়তো আমার বেশি সময় লেগেছে কারন আমি একাই চলতাম আমার কাজ একাই করতে হতো। পন্যের সোর্স থেকে শুরু করে কাস্টমার ফিডব্যাক পাওয়া পর্যন্ত যতো কাজ থাকে সব আমি নিজে একাই করতাম।

তবে হ্যাঁ অনেকেই ভাবে ১ দিনেই সব সফলতার আসছে কিন্তু না এটার পিছনে অগাধ পরিশ্রম করেছি আমি।

প্রথমত আমি আমার উদ্যোগের সোর্স খুঁজতে শুরু করি। যা নিয়ে কাজ করবো সেই সম্পর্কে তথ্য রুট লেভেল থেকে সংগ্রহ করেছি সেই সম্পর্কে জেনেছি।

এই সোর্স আর তথ্য জানতে গিয়েও আমি দূর্ঘটনার শিকার পর্যন্ত হয়েছি।
কাজটাকে ভালোবেসে করেছি জন্য আমি মেয়ে হয়েও ২০১৯ এর দিকে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন হাটে গিয়েছি যা সহজ কাজ ছিলো না একটা মেয়ে হিসাবে কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ আমি পেরেছি। এখন আমি সরাসরি সিরাজগঞ্জের তাঁতি বাড়ি থেকে কাজ করি বড় বড় ব্যবসায়ীদের সাথে আমার লেনদেন হয়।

আমার সিরাজগঞ্জের তাঁত পন্যের মধ্যে রয়েছে শাড়ি,লুঙ্গি, থ্রি পিস, গামছা এই গুলো দেশের ৬৪ টি জেলায় আমি পাঠিয়েছি এমন কি বিদেশের মাটিতেও আমার উদ্যোগের সিরাজগঞ্জের তাঁত পন্য চলে গিয়েছে
কারন একটাই আমি আমার পন্যের গুণগত মান ঠিক আছে কিনা যাচাই বাছাই করেই সেটা নিয়ে কাজ করি।

কাস্টমার কোন কিছু জানতে চাইলে আমি সঠিক তথ্য গুলো দিতে পারি কাস্টমারের সাথে কমিটমেন্ট বজায় রাখার চেষ্টা করি।
আলহামদুলিল্লাহ আমার উদ্যোগ তাঁতি রানীর পেজটা ৫ বছর ধরে টিকে আছে শুধু মাত্র কমিটমেন্ট ঠিক রাখার জন্য।

আমি একটা কথাই বলবো ব্যবসাটা হালাল ভাবে করতে চাইলে। সেটা নিয়ে কাজ করতে চাইলে বিক্রি করাটাই আসল লক্ষ্য মনে না করে। কাস্টমার পজিটিভ ফিডব্যাক ও রিপিট কাস্টমার তৈরি করার চেষ্টা থাকতে হবে তবেই অনলাইন অফলাইনে টিকে থাকা সম্ভব।

এই সেক্টরে আছি ৫ বছর চলছে অনেক কিছু শেখার আছে জানার আছে।
আমার স্বপ্ন গুলো আরো অনেক বড় আমার সিরাজগঞ্জ জেলার তাঁত পন্য দেশ ছেড়ে দেশের গন্ডি পেরিয়ে যাক এটাই চাই।

সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমার স্বপ্ন গুলো যেন পুরন করতে পারি।
আমার সফলতা আগে শুধু খুচরাতে পন্য সেল করতাম এখন পাইকারিতে পন্য দিয়ে থাকি সারা বাংলাদশেই।

পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং না থাকলে আসলে আমি এতোটা এগিয়ে যেতে পারতাম না।। সেই সাথে আমার সহযোগী হয়ে অন্যান্য জেলার অনেক আপুরাও কাজ করছে রিসেলার হয়ে। তারাও যেন সিরাজগঞ্জের তাঁত পন্য নিয়ে কাজ করে নিজে ইনকাম করতে পারে। অন্তত নিজের হাত খরচের টাকার জন্য পরিবারের কাছে হাত পাততে না হয়।

আমি বেকার না লেখাপড়া শেষ করেও হালাল পথে আয় করছি।
চাকরির চেষ্টার পাশাপাশি বিজনেস করে দেখতে পারেন। অন্তত বেকার আছি এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে বের হতে পারবেন।

লোকে কি বলবে এইটা মাথায় আনবেন না কারন লোকে আসলে কিছু ভাবেই না এতো টাইম নাই লোকের আমাদের নিয়ে ভাবার। আমরা নিজেরাই মন গড়া কল্পনায় ভাবনা তৈরি করি।

ইচ্ছে থাকলে অল্প টাকা দিয়েও ব্যবসা করা যায় শুধু সময়, পরিশ্রম আর ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হয় তবেই সফলতা আসে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৩ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD