
স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দায়ের হওয়া একটি মামলাকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন অভিযুক্ত পক্ষের এক সদস্য।গত ৭ জুন জামালপুর পুলিশ সুপারের বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে স্বাক্ষর করেন সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর হরিপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে নুরনবী ইসলাম।স্মারক নং ৯৯/ ০৯-০৬-২০২৬ইং। নুরনবী ইসলাম মামলার প্রধান আসামি মানিক ওরফে নাহিদের ছোট ভাই।
আবেদনে নুরনবী ইসলাম উল্লেখ করেন, সরিষাবাড়ী থানার মামলা নং-২১/৯৭ (তারিখ: ২৫ মে ২০২৬) প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার দাবি, মামলার প্রথম সাক্ষী ফারজু আক্তারের সঙ্গে প্রধান বিবাদী মানিক ওরফে নাহিদের বিয়ের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই উভয় পরিবারের জানা ছিল এবং এ নিয়ে পারিবারিক পর্যায়ে আলোচনা চলছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, গত ২১ মে উভয় পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এ বিষয়ে সাক্ষীর বাবা ফিরোজ শেখ এবং বিবাদীর বাবা-মায়ের মধ্যে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কথোপকথন হয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বরগুলোর কললিস্ট ও কথোপকথনের তথ্য যাচাইয়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, মামলার কথিত ঘটনার সময় পর্যন্ত বাদীপক্ষ থানায় কোনো নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করেনি। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধের জেরে মানিক ওরফে নাহিদ এবং তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।এছাড়া মামলার বাদী সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কল রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি সাইফুল খান বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নাহিদ ও রিতুর বিয়ের নিকাহনামায় সাক্ষী থাকার কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। তিনি আরোও বলেন দায়ের হওয়া মামলাটির মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করছেন।