1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে আরএমপি’র মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ ৮ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার; ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাঁজা উদ্ধার। রুয়েট পরিদর্শনে অ্যাক্রিডিটেশন ইভ্যালুয়েশন টিম। রপ্তানির ২৬ গুণ আমদানি। বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী’র চারঘাট সীমান্ত হতে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের বৈধ বিবাহকে ‘ধর্ষণ মামলা’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা মনোহরদীতে ৪০০ গ্রাম চোলাই মদসহ ১ জন আটক,৮ মাসের কারাদণ্ড ঋণের চাপ ও পারিবারিক দুশ্চিন্তায় বিষাক্ত ট্যাবলেট সেবন, ব্যাংক নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু। রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জাপানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজশাহী থেকে দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ।

ইবিতে আওয়ামীপন্থী প্রক্টর মাহবুবরের বহিষ্কার ও বিচারের দাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪৯ বার পঠিত

 

ইবি প্রতিনিধিঃ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আওয়ামীপন্থী শিক্ষক নেতা ও সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানের বহিষ্কার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির। এসময় আওয়ামী শাসনামলে সাজানো ক্রসফায়ার, তথাকথিত জঙ্গি নাটক, বিরোধী মতের দমন-পীড়ন এবং শিক্ষার্থীদের হয়রানির মূল হোতা হিসেবে সাবেক এই প্রক্টর আখ্যায়িত করেন নেতাকর্মীরা।

রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে থেকে কর্মসূচি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে— ‘বহিষ্কার বহিষ্কার, মাহবুবের বহিষ্কার’, ‘প্রক্টর মাহবুবের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘মাহবুব জঙ্গি, খুনি হাসিনার সঙ্গী’, ‘প্রক্টর মাহবুবের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির সভাপতি মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সাবেক প্রক্টর মাহবুব আমাদের শিক্ষার্থীদের জঙ্গি ট্যাগ দেওয়া, পরীক্ষার হল থেকে ধরে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া, ইসলামী শিক্ষার মক্তব বন্ধ করে দেওয়া মূল হোতা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধীকর্মকাণ্ডে বিভিন্ন ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবিরের নাম জড়িয়ে দিতেন। মিথ্যা সাক্ষী নেবার জন্য শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে ক্রসফায়ার দেবার জন্য তিনদিন পর্যন্ত গুম করে রেখেছিল। শিক্ষার্থীরা জানে ছাত্রশিবির কখনো তোমাদের মতো নোংরি করেনা।’

তিনি বলেন, ‘আমরা গত শাসনামলে দেখেছি শিক্ষক রাজনীতি হয়না-হয়েছে চেয়ারদখলের রাজনীতি। সেসময় প্রক্টর মাহবুব বাদী হয়ে ৭০ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল, সেই মামলা এখনো নিষ্পত্তি হয়নাই! অভ্যুত্থানের এক বছর পার হওয়ার পরেও তাদের মতো ফ্যাসিস্টদের সাথে বর্তমান প্রশাসনের কিসের গলায় গলায় খাতির, তা এখনো আমাদের বুঝে আসে না। যদি এসব সন্ত্রাসীদের দ্রুত বিচার করা না হয়; সাজিদের মতো আরেকটি হত্যাকাণ্ড হয়ে যেতে পারে। এই আওয়ামীপন্থীরা এখনো কিভাবে কাকে হত্যা করা যায়, কার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা যায়, কাকে কিভাবে খুন করা যায়— সে পরিকল্পনা করছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাহবুবরের মতো তথাকথিত শিক্ষকের মতো সন্ত্রাসীদের কাছে সবচেয়ে অনিরাপদ। আমরা তাদের ক্যাম্পাসে দেখতে চাইনা।’

শিবির নেতা বলেন, ‘প্রক্টর মাহবুবরা শুধু আওয়ামী শাসনামলেই নয় বরং এখনো তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকরা যাতে শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষার্থীদের মতো করে ব্যবহার করেন, আমাদের বোনদের যেন পর্দা করতে পারে সেই অধিকার আমরা চাই। গত শাসনামলে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নের উপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। ১৮’র কোটা আন্দোলনেও শিক্ষার্থীদের গুম করার হুমকি দিয়েছিলেন এই প্রক্টর মাহবুব। সে এখনো কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থাকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার জন্য এমন কোনো কাজ নেই যেটা তারা করতে পারে না। যদি বর্তমান প্রশাসনের সক্ষমতা থাকে, তাহলে তাকে বহিষ্কার করুক নয়তো প্রশাসন ছেড়ে চলে যান, এই প্রশাসনের দরকার নেই।’

এছাড়া শিবির সভাপতি মাহমুদুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইকসু, সকল কাজে ডিজিটালাইজেশন এবং সদ্য ঘটে যাওয়া সাজিদ হত্যার যথাযথ বিচার দাবি করেন।

 

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD