1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকায় ভূমিকম্প অনুভূত পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ঠেকাতে পুরস্কার ঘোষণা ছাত্রদলের। বিদ্যালয়ের জন্য দেওয়া ল্যাপটব চার মাস ধরে বাড়িতে ব্যবহার করেন শিক্ষিকা। রাজবাড়ীতে তিন বেসরকারি ক্লিনিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা রাবি শিক্ষার্থী ছেলের হাতে পিতা খুন । রাজশাহী বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অডিও ভাইরাল, অভিযোগ অস্বীকার রাজশাহীতে অযৌক্তিক অটোভাড়া ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবিতে নাগরিক স্মারকলিপি আরএমপি’র বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার: ইয়াবা উদ্ধার, নগদ অর্থ ও ৪ মোবাইল ফোন জব্দ নড়াইলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

নির্বাচন অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা!

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ২১০ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার রাজবাড়ীঃ

দালালের দৌরাত্ম্য ও হুমকিতে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে নিরাপত্তা চেয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে চিঠি দিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আজিজুল ইসলাম। তবে এজাহার না দেয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ওসি।

গত ২৯ জুলাই সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কর্তৃক সদর থানার ওসির কাছে দেয়া চিঠির কথা জানান । 
উপজেলা নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রসঙ্গে পাঠানো চিঠিতে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় কার্যালয় হিসেবে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে প্রতিদিন আগত শত শত নাগরিদের নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, ভোটার স্থানান্তর ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনসহ নানাবিধ নাগরিক সেবা দেয়া হয়। অদ্য ২৯ জুলাই সকাল ১১ টার দিকে শ্রীপুর গ্রামের খাইরুল আলমের ছেলে আরাফাত আলম সেবা গ্রহীতার পক্ষে উপজেলা নির্বাচন অফিসে উপস্থিত হয়ে হেল্পডেস্কে দায়িত্বরত স্টাফের সঙ্গে প্রচণ্ড দুর্ব্যবহার করে। বিষয়টি আমি মীমাংসা করতে গেলে সে আমার সাথেও একই আচরণ করে। সে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শারীরিকভাবে প্রহার করবে বলে হুমকি দেয়। কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য নিয়ে অফিস ঘেরাও করে। আরাফাত আলম মূলত একজন দালাল এবং নেশাগ্রস্ত বলে জানা যায়। বিভিন্ন সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ব্যাপারে আবেদনকারীর সঙ্গে চুক্তি করে তা বেআইনিভাবে সংশোধন করার চেষ্টা করে আসছে। ইতোপূর্বেও সে এই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করে আসছে। তাই এই অফিস এবং অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। এ অবস্থায়, উল্লিখিত বিষয়ে অবগতি ও জাতীয় পরিচয়পত্রসেবা সুষ্ঠুভাবে দেওয়ার স্বার্থে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এ চিঠির অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব, ফরিদপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছেও দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গত ২৩ জুলাই রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই আমি আমাদের অফিসে আগত সেবা গ্রহীতাদের তথা নতুন ভোটার, ভোটার স্থানান্তর, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন এবং হারানো জাতীয় পরিচয়পত্র উত্তোলনসহ সব ক্ষেত্রেই কোনপ্রকার হয়রানি ছাড়া সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু আমি লক্ষ্য করছি কিছু সেবা গ্রহীতার সাথে এমন কিছু ব্যক্তি আমাদের অফিসে আসছেন যাদের সাথে সেবা গ্রহীতার কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক বা অন্য কোনো সম্পর্ক নেই। ওইসকল ব্যক্তিরা উপযুক্ত কাগজ সরবরাহ ছাড়াই আমাদের ওপর বল প্রয়োগ করে কাজ করিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন। তারা মূলত দালাল শ্রেণির লোক। তাদের কারণে জনগণকে সঠিক সেবা দিতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে।’

সেবাগ্রহীতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে সেবা নিতে কোন দালাল, প্রতারক কিংবা তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আসার প্রয়োজন নেই। সেবা গ্রহীতা নিজে তার উপযুক্ত কাগজপত্র নিয়ে এলেই আমরা কোন প্রকার হয়রানি ছাড়া আন্তরিকতার সঙ্গে তার কাজ করে দেব। এক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার গাফিলতি থাকবে না। আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসকে দালালমুক্ত করতে চাই।’

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘দালালের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় থাকার বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আমাকে একটি অবগতিপত্র পাঠিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে তাকে থানায় এজাহার দিতে বলা হলে তিনি এজাহার দেননি। যে কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছেনা। আমি এজাহার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD