1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে যুবক গ্রেপ্তার, ট্যাপেন্টাডল-ইয়াবাসহ নগদ অর্থ জব্দ চারঘাটে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৯৭ বোতল স্কাপসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পাঁচবিবিতে ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু। গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক। ঢাকায় ভূমিকম্প অনুভূত পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ঠেকাতে পুরস্কার ঘোষণা ছাত্রদলের। বিদ্যালয়ের জন্য দেওয়া ল্যাপটব চার মাস ধরে বাড়িতে ব্যবহার করেন শিক্ষিকা। রাজবাড়ীতে তিন বেসরকারি ক্লিনিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা রাবি শিক্ষার্থী ছেলের হাতে পিতা খুন ।

একদিন ভিক্ষা না করলে না খেয়ে থাকতে হয় তারা ও জহুরার

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত

 

আল-আমিন স্টাফ রিপোর্টারঃ

একদিন ভিক্ষা না করলে খাওন জোটে না। এখন আর আগের মতো হাঁটতে পারি না, খুব কষ্ট হয়। কেউ যদি চারডে ভাত ৩ বেলা দিত, তাইলে আর গাঁও ঘুইরা ভিক্ষা করতাম না। শরীরে অনেক অসুখ, তাও কষ্ট কইরা চলাফেরা করি। এভাবেই জীবনের কষ্টগাথা বলছিলেন শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের গেরামারা গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী তারা বেগম।

তাঁর পাশে বসা একই বয়সী জুহুরা বেগম চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, কেউ খোঁজে না, নাই-বা খুঁজল। আল্লাহ যেই দিন নিবে, ওইদিন এই কষ্ট শেষ হইব। তাও চাই, মরার আগে দুইবেলা পেটভরে খাইতে পারি। এখন তো ভিক্ষা করতে গেলে খুব কস্ট হয়, পা খুব ব্যাথা করে।

সরেজমিনে দেখা যায় তারা বেগম ও জুহুরা বেগম। বয়স প্রায় ৯৫ বছর। কারও কাছে মা, কারও কাছে দাদি কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাঁদের নিত্যদিনের সঙ্গী শুধু ক্ষুধা আর কষ্ট।
পেটের দায়ে প্রতিদিন ভর দুপুরে বের হন তাঁরা। কারো দরজায় দাঁড়িয়ে থাকেন নিঃশব্দে, কারো উঠানে বসে থাকেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কেউ এক মুঠো চাল দেন, কেউ কিছুই না বলে ফিরে যান। তবুও অভিমান নেই, কারণ তাঁরা জানেন ক্ষুধার চেয়ে বড় কিছু নেই এই বয়সে।

এই দুই বৃদ্ধার জীবন যেন অবহেলা আর কষ্টের প্রতিচ্ছবি। সহায়-সম্পদ বলতে আছে শুধু টিনের এক টুকরা ঘড়। জীবন চলে মানুষের দয়ার উপর নির্ভর করে। হাঁটতে পারেন না ভালোভাবে, চোখে ঝাপসা দেখে। কিন্তু তবুও লাঠি ভর করে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে যানএক মুঠো চাল বা ২ টাকার আশায়।

তারা বেগম জানান, বয়স্ক ভাতা পাই, মাসে ৬০০ টেহা। এই টেহা দিয়া ভাত কিনমু, না ওষুধ। আমগর ও ইচ্ছা হয় এক বেলা ভালা তরকারী দিয়ে পেট ভরে খাইতে।
জুহুরা বেগম বলেন, হাসপাতালে গেলে কয়, ওষুধ বাইর থেইকা লাগবো। কিন্তু বাইর থেইকা কিনার টেহা কই।

স্থানীয়রা বলেন, এই দুই বৃদ্ধা বছরের পর বছর ধরে একই কষ্টে দিন পার করছেন। বর্ষা হোক কিংবা রোদ, তাঁদের দেখা যায় রাস্তায় বসে থাকতে কিংবা কারও দরজায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে। কখনো কেউ চাল দেয়, কখনো খালি হাতে ফিরে আসেন।

গ্রামের আরেক বাসিন্দা এই দুই জন অনেক বছর ধইরা এমনি কষ্টে আছে। কেউ খোঁজ নেয় না। আমরা যা পারি ততটুকু দেই, কিন্তু সবসময় তো পারি না। সরকার যদি একটু সাহায্য করত, অন্তত দুই বেলা ভাত আর ওষুধ পাইলে এই মানুষগুলা আর ভিক্ষা করতে হইত না। খুবই কষ্ট লাগে এমন দশা দেখে

এ বিষয়ে কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হামিদ উল্লাহ তালুকদার বলেন, আমি তাদের সেই ভাবে চিনিনা, আমি আজ অবগত হয়েছি, পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদে পক্ষে থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানো হবে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD