
স্টাফ রিপোর্টার অভি খায়রুল ইসলাম সাভারঃ
সাভার ফুলবাড়িয়া এলাকার বহুল পরিচিত পোশাক কারখানা গোল্ডেন স্টিচ ডিজাইন লিমিটেড-এর এডমিন সেকশনের দুই কর্মকর্তা মাজেদ মিয়া ও আরাফাত রহমান-এর বিরুদ্ধে চরম অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নারী শ্রমিকদের যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
মাসুদ রানা দাবি অনুযায়ী, এই দুই কর্মকর্তা কারখানায় নিয়োগ দেওয়ার নাম করে সাধারণ শ্রমিকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। টাকা না দিলে চাকরি থেকে ছাঁটাই কিংবা বিভিন্ন ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়। এমনকি, নারী শ্রমিকদের সাথে অনৈতিক আচরণ ও যৌন হয়রানিমূলক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকারও অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মোঃ মাসুদ রানা বলেন, আমাকে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা অপবাদ দিয়া তাদের কোম্পানি হইতে আমাকে বাহির করিয়া দেয় এমন তো অবস্থায় গত ৪/৭/২৫ইং তারিখ বিকাল অনুমান ৪ ঘটিকার সময় উল্লেখিত বিবাদীরা আমাকে ফোন করিয়া চাকরি দেয়ার কথা বলিয়া গোল্ডেন স্টিচ ডিজাইন লিমিটেড ফ্লোরেন্স গ্রুপে ডাকিয়া নিয়া যায় আমি উক্ত কোম্পানিতে পৌছামত্র উল্লেখিত বিবাদীরা পুনরায় আমার সাথে খারাপ আচরণ করিয়া তাড়িয়ে দেয় আমি উক্ত কোম্পানি হইতে বাহির হইয়া আমি আমার ভাড়া বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই আমি সাভার মডেল থানাধীন রাজ ফুলবাড়িয়া বাওয়ালি পাড়া মসজিদের সামনে পৌঁছামাত্র বিবাদী আমার নিকট আসিয়া আমাকে এলোপাতাড়িভাবে কিল ঘুসি মাটিতে থাকে একপর্যায়ে বিবাদী আমার নিকট হতে মিথ্যা বলে জবানবন্দি নেয় এবং আমাকে হুমকি দিয়ে বলে
যে তুই এই ঘটনার কথা কাউকে বলিস
তাহলে আমরা তোকে সহ তোর পরিবারের লোকজনদেরকে প্রাণে মারিয়া ফেলবো মর্মে হুমকি দিয়া চলিয়া যায়
“আমি একাধিকবার এ বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। এখন আমি বাধ্য হয়ে জনসাধারণ, প্রশাসন এবং সাংবাদিকদের কাছে বিচার প্রার্থনা করছি।”
এছাড়া আরও অনেক শ্রমিক আছেন যারা ভয়ে বা চাকরি হারানোর আশঙ্কায় মুখ খুলতে পারছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কারখানা কর্তৃপক্ষ এসব অনিয়ম সম্পর্কে অবগত হলেও এড়িয়ে যাচ্ছেন বিষয়টি।
এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড শুধু শ্রমিকদের মনোবল নষ্ট করছে না, বরং শিল্প খাতের সুনামকেও ক্ষুণ্ণ করছে।
সচেতন নাগরিক ও মানবাধিকারকর্মীরা দাবি করেছেন, এই ঘটনা যেন নিছক “ভেতরের বিষয়” হিসেবে দমন না করা হয়। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাংবাদিক, প্রশাসন এবং শিল্প পুলিশ যদি অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এই ধরনের দুর্নীতির জালে আরও বহু নিরীহ শ্রমিক ফেঁসে যেতে পারে।