
গোয়ালন্দে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সমন্বয় সভা
মো. সাজ্জাদ হোসেন গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ সার্ভিস সহ সকল যানবাহনের সুষ্ঠ চলাচল ও যাত্রীসাধারনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার লক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সভাকক্ষে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে এবার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চলাচল করবে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ। প্রত্যেকটি বাস কাউন্টারের সামনে বড় ব্যানারে ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে দিতে হবে এবং ঘাটের মূল মূল পয়েন্টেও এই তালিকা টাঙানো হবে। প্রত্যেকটি বাস সহ অন্যান্য যানবাহনের ফিটনেস ঠিক রাখতে হবে। বাসের গায়ে যে রুটে চলাচল করবে তার একটি স্টিকার লাগাতে হবে। সিদ্ধান্তে আরও বলা হয়, ফেরির মধ্যে কোন খাবারের দাম অতিরিক্ত নেওয়া যাবেনা। ঘাটে একটি রেকার থাকবে যেন কোনো যানবাহনের সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক সেটা সরানো যায়।
এসময় ইউএনও নাহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আসাদুজ্জামান, গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ, বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারি মহা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, বিআইডব্লিউটিএ আরিচা বন্দর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ সেলিম শেখ, জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. জুয়েল, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ এনামুল হক সহ ট্রাফিক ইন্সপেক্টরসহ বিভিন্ন দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা প্রমুখ।
এসময় বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডবব্লিউটিসি কর্মকর্তারা জানান, আসন্ন ঈদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে কয়েকটি ফেরি বাড়িয়ে ১৭টি ফেরি, ৩টি ঘাটের মধ্যে (৩, ৪ ও ৭) ৮টি পকেট যানবাহন পারাপার হবে এবং ২০টি লঞ্চ চলাচল করবে। ইতিমধ্যে যার প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, যাত্রী হয়রানি, ছিনতাই, মলমপার্টি, দালাল, যানজট নিয়ন্ত্রণ রোধে ঘাট এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ইতিমধ্যে ঘাট এলাকার চিহ্নিত কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ যানবাহন চলাচলেও নজরদারি করা হবে এবং সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে পুলিশ। তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের যেমন দায়িত্ব আছে, তেমনি যাত্রী, সাধারণ জনগণকেও সচেতন থাকতে হবে।