
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষী না দেওয়ায় আমাকে সাজা দেয়া হয়েছিল- লুৎফুজ্জামান বাবর
শহীদুল ইসলাম রুবেল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনা জেলার কৃতি সন্তান, সাবেক সফল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় বিএনপি সাবেক প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুজ্জামান বাবর মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর সম্প্রতি সবকটি মামলা থেকে বেখসুর খালাস পেয়ে নিজ জেলায় আগমন উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির ভাষনে বলেন, আমি আজ আপনাদের সামনে দাড়িয়ে আবেগ আপ্লুত। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাগারে কাটিয়ে আমি আবার আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি। আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া এবং সমর্থন আমাকে এই দীর্ঘ পথ চলতে শক্তি যুগিয়েছে। আমি আপনাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ। জালিম খুনি হাসিনা সরকার আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, ফাঁসির দন্ড দিয়েছে, অকথ্য অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আমাকে দমিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি আপোষ করিনি। জালিম সরকারের কাছে মাথা নত করিনি।আমি সর্বদা সত্যের পথে ছিলাম, আছি, থাকবো, ইনশাল্লাহ্। খুনি হাসিনা সরকার আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে জেলে পাঠিয়েছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষী দিতে রাজী না হওয়ায় বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে অন্যায় ভাবে আমাকে মৃত্যুদন্ড ও যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছিল। নেত্রকোনাসহ দেশবাসীর দোয়া ও সমর্থন পাওয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সবকটি মামলা থেকে খালাস পেয়েছি। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমি আমার জীবন বাজি রাখতে রাজি আছি। যে কোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত আছি। তিনি বলেন, ছাত্র জনতার গণ অভ্যূত্থানে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। দেশে এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আমি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি, যাতে দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষনা করা হয়। তিনি তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান। নেত্রকোনা জেলা বিএনপির আহবায়ক বিশিষ্ট অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম হিলালীর সঞ্চালনায় গণসংবর্ধনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট আরিফা জেসমিন নাহীন, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি এডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু, জেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট মাহফুজুল হক, জেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের তালুকদার, জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মজিবুর রহমান খান, তাজেজুল ইসলাম ফারাস সুজাত, এস এম মনিরুজ্জামান দুদু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তালুকদার,জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ইমরান খান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শফিকুল কাদের সুজা, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোঃ সালাহ্উদ্দিন খান মিল্কীসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।