
সুজন খন্দকার ঃ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শাহাদাৎ মেম্বার গ্রামের বাসিন্দা মোঃ সাহেব আলি খন্দকারের বাড়ীতে পুর্ব শত্রুর জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে অমানবিক হামলা চালিয়েছে একটি সঙ্ঘবদ্ধ চক্র। উল্লেখ্য সাহেব আলি খন্দকারের দুই ছেলে দীর্ঘদিন যাবত সৌদি আরব প্রবাসী।
মঙ্গলবার ১৮ই জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।এতে মুহুর্তের মধ্যে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দেশি-বিদেশি সব অস্ত্র নিয়ে বাড়ী-ঘর আসবাবপত্র সহ সমস্ত স্থাপনা ভাংচুর করে টাকা পয়সা, সোনার গহনা লুটপাট ও মারপিট করে। এসময় আহত হয় এই বাড়ীর নারী ও পুরুষ অন্তত ১০ জন। তাতে টিকতে না পেরে প্রাণ ভয়ে বাড়ীঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় সাহেব আলি খন্দকারের পরিবারের সদস্যরা। পরেরদিন আহত কয়েকজন রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল ও ফরিদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হলে সাহেব আলি খন্দকার বাদি হয়ে রাজবাড়ী কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এখনও মামলার কোন অর্ডার না হওয়ায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আসামিরা। শুধু কি তাই! এই পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়মিত প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। এছাড়াও মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছেন এই পরিবারটিকে।
এবিষয়ে হামলাকারীদের সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
আর সাহেব আলি খন্দকার জানান,রাত ৮টার দিকে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা নিউ বাড়ীর উঠানে অবস্থান করছিলাম এমন সময় অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। মুহুর্তের মধ্যে বাড়ী-ঘর ভাংচুর টাকা পয়সা লুটপাট করে নিয়ে যায় তারা। আহত হয় অন্তত ১০ জন। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এবিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি তদন্ত উত্তম কুমার এর মুঠোফোনে ফোন দেওয়া হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।