1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেট সদর উপজেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। সিলেট সদর উপজেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। রৌমারীতে ২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক রাজশাহীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি উদ্বোধন রৌমারীতে জোরপূর্বক ঘর দখল ও আসবাবপত্র লুটপাটের অভিযোগ ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন সুন্দরবনের কু’খ্যা’ত ডা’কাত জোনাব বাহিনীর প্রধান জোনাব আলীকে গ্রেপ্তার ফুলবাড়ীয়ার কেশরগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ, যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা গাইবান্ধার লক্ষ্মীপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাউফলে অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, ন্যায়বিচার চাইলেন ইতালি প্রবাসী রফিকুল

পবিত্র শবে বরাতের রাত আমল ও ফজিলতের রাত। নয়া কণ্ঠ

  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৭৯ বার পঠিত

পবিত্র শবে বরাতের রাত আমল ও ফজিলতের রাত।

মোঃ সবুজ মিয়া,

শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতে ১৪ তারিখ দিবাগত রাত হলো পবিত্র শবে বরাতের রাত। যার ফারসি ভাষায় শব অর্থ রাত এবং বরাত অর্থ মুক্তি। শবে বরাত অর্থ মুক্তির রাত। ‘শবে বরাত’-এর আরবি হলো ‘লাইলাতুল বারকাত’। হাদিস শরিফে যাকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্য দিবসের রজনী বলা হয়েছে। মুসলিম জাতির কাছে এ রাত শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাত হিসেবে পরিচিত।

মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের জন্য যেসব দিবস ও রজনী বিখ্যাত, তারমধ্যে পাঁচটি রাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই বিশেষ পাঁচটি রাত হলো: দুই ঈদের রাত্রি, শবে মেরাজ, শবে বরাত ও শবে কদর।

মুফাসসিরগণ বলেন, এখানে ‘লাইলাতুল মুবারাকা’ বা বরকতময় রজনী বলে শাবান মাসে পূর্ণিমা রাতকেই বোঝানো হয়েছে। (তাফসিরে মাজহারি, রুহুল মাআনি ও রুহুল বায়ান)। হজরত ইকরিমা (রা.) প্রমুখ কয়েকজন তাফসিরবিদ থেকে বর্ণিত আছে, সুরা দুখানের দ্বিতীয় আয়াতে বরকতের রাত্রি বলে শবে বরাত বোঝানো হয়েছে। (তাফসিরে মাআরিফুল কোরআন)।

শবে বরাতের ফজিলত

হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রা) বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে দাঁড়ালেন এবং এত দীর্ঘ সেজদা করলেন যে আমার ধারণা হলো, তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন; আমি তখন উঠে তার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম, তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল; তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামাজ শেষ করে আমাকে লক্ষ করে বললেন, হে আয়িশা! তোমার কি এ আশঙ্কা হয়েছে? আমি উত্তরে বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)! আপনার দীর্ঘ সেজদা থেকে আমার আশঙ্কা হয়েছিল আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কি না? নবীজি (সা.) বললেন, তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলই ভালো জানেন। তখন নবীজি (সা.) বললেন, এটা হলো অর্ধশাবানের রাত; এ রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন; ক্ষমাপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন, অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন। আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের তাদের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন। (শুআবুল ইমান, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৮২)।

হজরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবীজি (সা.) এ রাতে মদিনার কবরস্থান ‘জান্নাতুল বাকি’তে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তিগফার করতেন। তিনি আরও বলেন, নবীজি (সা.) তাকে বলেছেন, এ রাতে বনি কালবের ভেড়া বকরির পশমের (সংখ্যার পরিমাণের) চেয়েও বেশিসংখ্যক গুণাহগারকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। (তিরমিজি শরিফ, হাদিস: ৭৩৯)।

এই রাতে মহান আল্লাহ মুক্তি ও মাগফিরাতের দুয়ার খুলে দেন। হাদিসে আলি ইবনে আবু তালিব রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যখন মধ্য শাবানের রাত আসে, তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ো এবং দিনে রোজা রাখো।

কেননা এদিন সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর নিকটতম আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আছো আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী? আমি তাকে ক্ষমা করবো। কে আছো রিজিক প্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দেব। কে আছো রোগমুক্তি চাও? আমি তাকে সুস্থতা দেব। কে আছো এই এই চাও?’ এভাবে ফজরের সময় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। (সুনানে ইবনে মাজাহ, ১৬২)

শবে বরাতের আমল

নফল ইবাদত: নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, তওবা, ইস্তিগফার ও ক্ষমাপ্রার্থনা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে রাত কাটানো। শবে বরাতের সব আমলই নফল। আর নফল আমল নিজ নিজ ঘরে একাগ্রচিত্তে আদায় করাই উত্তম।

রোজা আদায় করা: আলি ইবনে আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যখন অর্ধ শাবানের রাত তোমাদের সম্মুখে আসে, তখন তোমরা তাতে কিয়াম তথা নামাজ আদায় করো এবং পরবর্তী দিনটিতে রোজা রাখো।’ (ইবনে মাজাহ: ১৩৮৮)

জিকির ও হাদিস শরীফ পাঠ: শবে বরাতে মুসলিম বৃদ্ধিরা আল্লাহর নাম ও গুণগান, প্রস্তাবনা করার মাধ্যমে হাদিস শরীফ পড়তে এবং ইসলামের আদর্শ আচরণ করতে প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা প্রাপ্ত করে।

মৃতদের জন্য মাগফিরাত করা: আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস , আমি এক রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে কাছে না পেয়ে খোঁজ করতে বের হলাম। হঠাৎ দেখলাম, তিনি বাকি কবরস্থানে আছেন। তিনি বললেন, ‘(হে আয়েশা) তোমার কি এ আশঙ্কা হয় যে আল্লাহ ও তার রাসুল তোমার ওপর জুলুম করতে পারেন?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমার ধারণা হলো, আপনি অন্য কোনো স্ত্রীর কাছে গিয়েছেন।’ তিনি বললেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে দুনিয়ার আকাশে আসেন এবং কালব গোত্রের ছাগল-ভেড়ার পশমের চেয়েও অধিকসংখ্যক লোককে ক্ষমা করে দেন।’ (তিরমিজি: ৭৩৯; ইবনে মাজাহ: ১৩৮৯)

যা যা করা আমাদের ইসলামের দৃষ্টিতে উচিত নয়: তা সংক্ষিপ্ত কিছু অংশ নিচে দেওয়া হলো যেমন: আতশবাজি ফোটানো, ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে বেহুদা ঘোরাফেরা করা,অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দ-উল্লাস করা, অযথা কথাবার্তা ও বেপরোয়া আচরণ করা, ঘটানো, হালুয়া-রুটি বা খাওয়া-দাওয়ার পেছনে বেশি সময় নষ্ট করে ইবাদত থেকে গাফিল থাকা যা হাদিসে নেই।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD