নিউজ ডেস্ক – হজযাত্রীদের ভিসা অনুযায়ী হোটেলে না উঠিয়ে অন্য হোটেল ভাড়া করে জটিলতা সৃষ্টি করায় আটটি হজ এজেন্সিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
আল কাশেম ট্রাভেলস অ্যান্ড টুরস, ইউরো বেঙ্গল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম, ইউরোপা ট্রাভেলস, কে আই ট্রাভেলস, এল আর ট্রাভেলস, এন জেড ফাউন্ডেশন অ্যান্ড হজ মিশন, শাকের ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস এবং সানজারি ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের স্বত্বাধিকারী বা মালিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, আপনাদের হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে যে, গত ২১ মে বিজি-৩০০৫ নম্বর ফ্লাইটে ৮টি এজেন্সির হজযাত্রী মক্কায় পাঠানো হয়। এজেন্সিগুলোর হজযাত্রীদের ভিসা যে হোটেলের ঠিকানায় করা হয়েছে সে হোটেলে তাদের না উঠিয়ে মক্কার বিভিন্ন ফিতরা করা হোটেলে তাদের ওঠার জন্য পাঠানো হয়েছে। মক্কার এসব হোটেলে হজযাত্রীদের রিসিভ করার জন্য এজেন্সির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। ফলে এ হজযাত্রীরা তাদের জন্য নির্ধারিত হোটেল খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়েন। ভিসা অনুসারে হোটেল না হওয়ায় তাদের লাগেজ হোটেলে পৌঁছাতে সমস্যা হয়। পরবর্তীতে হজ মিশনের প্রচেষ্টায় বিষয়টি সমাধান হলেও হজ মিশনের জন্য এটি বিব্রতকর অবস্থা সৃষ্টি করে।
এ ধরনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার অন্তরায়; যার কারণে ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ এর ১২ ধারা অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কারণ বিদ্যমান। তাই হজ এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী কেন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- সেই জবাব আগামী তিনদিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।