
মোঃ সবুজ মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার:
নির্ধারিত সময়ের আগেই তালাবদ্ধ কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, দেখা মিলেনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী কারোই। এমন ঘটনা ঘটেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী।
সরেজমিনে ঘুরে ৬ এপ্রিল সোমবার বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, উত্তোলন নেই কোন জাতীয় পতাকা মাদ্রাসার ভবনে ঝুলছে তালা। মাদ্রাসায় কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থী নেই। পাঠদান ও অফিসকক্ষ তালাবদ্ধ।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, তীব্র গরমে কয়েকদিন ধরে মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এখন মাদ্রাসা খোলা হলেও শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে চলে গেছেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত ও মাদ্রাসায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি জরুরি।
ঐ এলাকার বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আজকে ৩ টায় মাদ্রাসা বন্ধ করছে। শুধু আজকে নয় এরকম ঘটনা প্রায় দেখা যায়। শিক্ষক-শিক্ষিকারা অনেক আগেই বাড়ি চলে গেছেন।
এবিষয়ে জানতে কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল জনাব জালাল উদ্দীন মোল্লার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পালিয়ে গেলে আমরা মাদ্রাসা ৩ টার মধ্যে ছুটি দিয়ে চলে যান। কথা শেষ না হতেই ফোনটি কেটে দেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফ উজ্জামান বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। যেখানে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৯ থেকে বিকাল ৪ টা পযর্ন্ত বিদ্যালয় খোলা থাকার কথা সেখানে তারা কিভাবে সময়ের আগেই ছুটি দেন। এত তারাতাড়ি কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসাটি বন্ধ করলে সেটা অবশ্যই অনিয়ম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।