1. sheikhrobirobi008@gmail.com : dailynayakontho :
  2. reporter3@dailynayakontho.com : nayakantho3941 :
  3. nayakontho@gmail.com : nayakontho :
  4. admin@dailynayakontho.com : unikbd :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগমারা (৪) আসনের ভোটকেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী। রাজশাহীতে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন,আগামিকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।    বালিয়াকান্দিতে মোবাইল কোর্টে অভিযান: লাঠি ও ইট-পাটকেলসহ ১ জনের কারাদণ্ড। আসন্ন নির্বাচনে ৩৯ আসনে ভোট ঘিরে রাজশাহী বিভাগে নিরাপত্তা জোরদার।   রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা ধানাধীন এলাকায় র‍্যাব-৫, রাজশাহী কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে ১২টি পেট্রোলবোমা ও ১৫ টি তাজা ককটেল উদ্ধার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি টহলদল কর্তৃক অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ।   টাঙ্গাইল সদরে নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে দুইজনের মৃত্যু। কুড়িগ্রাম ১ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন জানালো গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী। নীলফামারী-৪ আসনে জাপা প্রার্থীর পক্ষে গণমিছিল ও সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত। আমাকে ভোটে বিজয়ী করবেন আমি উন্নয়ন ও শান্তি এনে দিব বাগমারায় নির্বাচনী জনসভায় ডিএম জিয়া।

চারঘাটে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে ব্যর্থ, দুইদিন অতিক্রান্ত।

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহুরুল ইসলাম (জীবন)।
গত (৭ ফেব্রুয়ার) শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শলুয়া ইউনিয়নের ক্ষুদির বটতলা এলাকায় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জহুরুল ইসলাম জীবন বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও বাঘা–চারঘাটের বিএনপির সকল নেতাকর্মীকে এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না, যা দলের জন্য উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছিলেন—যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং প্রার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাক্ষাৎ করার। কিন্তু চারঘাট উপজেলায় সেই নির্দেশনার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
তিনি বিএনপি প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশ্ন তুলে বলেন, “নির্দেশনা থাকার পরও কেন সবাইকে এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না?” আবু সাঈদ চাঁদকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, দল আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আপনার দায়িত্ব ছিল সবাইকে ডেকে এক মঞ্চে আনা। কেউ না এলে তখন দায়ভার অন্যদের ওপর পড়ত।

জহুরুল ইসলাম জীবন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের মাঠে দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা সক্রিয় নেই। তিনি চারঘাট থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ পাশা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী তালুকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিতুলসহ একাধিক নেতার নাম উল্লেখ করে বলেন, তারা এখনো নির্বাচনী প্রচারণায় দৃশ্যমান নন।
তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল। তিনি মনোনয়ন না পেলেও দিন-রাত এলাকায় ঘুরে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। অথচ তাকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জহুরুল ইসলাম জীবন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “দল ঐক্যবদ্ধ না হলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সুযোগ নিতে পারে। প্রতিহিংসা পরিহার করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে হবে। ঐক্যের বিকল্প নেই।”
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনের ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের এক মঞ্চে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন এই নেতা, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
২০২৫ © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD