1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফরিদপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগে স্ত্রী আটক। রাজবাড়ী সদরে ১৯২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ; আরও বরাদ্দ চাইলেন ইউএনও, নিরুপমা রায় বগুড়া-নওগাঁ সড়কে বেপরোয়া বাসের তাণ্ডব: প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ২০-২৫ জন পটিয়ায়-পর্যটক বাইকার গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক, ১ লাখ ইয়াবাসহ ৫ মোটরসাইকেল জব্দ তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে রাজবাড়ী সদরের ইউএনও, নিরুপমা রায়; ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান রাজবাড়ী সদর ইউএনও, নিরুপমা রায়ের নেতৃত্বে শহীদ আব্দুল গণি শেখের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন নানা কর্মসূচিতে বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত এনসিপি থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত গাজী সালাউদ্দিন রাজশাহীতে শহীদ সাকিব আনজুমের কবর জিয়ারত সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

মেহেরপুরে শ্বশুর হত্যার অভিযোগে জামাই আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ৫০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরো দুই বছরের দেওয়া হয়েছে।

  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪১ বার পঠিত

মেহেরপুর থেকেঃ

বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম নাসিম রেজা এ রায় দেন। সাজার প্রাপ্ত আলমগীর হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার রামনগর কলোনী পাড়ার সোহরাব হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরনের জানা গেছে ২০১২ সালের ১৮ জানুয়ারী আসামি আলমগীরের সাথে রামনগর কলোনী পাড়ার নুরুল ইসলাম এর মেয়ে বুলবুলি খাতুনের সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের পরে আলমগীর তার স্ত্রীর মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। পরে যৌতুক হিসেবে জামাইকে ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার পরেও স্ত্রী বুলবুলির ওপর নির্যাতন অব্যাহত রাখেন। ওই ঘটনায় আলমগীরের বিরুদ্ধে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধিত ২০০৩ এর ১১ খ ৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আলমগীর হোসেন কে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়। ওরে আলমগীর জেলখানা থেকে বের হয়ে এসে ২০১৬ সালের ১৮ই জানুয়ারি রাত শ্বশুর নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে গিয়ে শশুরকে উদ্দেশ্য করে গালাগালি করতে থাকেন। এসময় তাকে গালাগালি করতে নিষেধ করা হলে আলমগীর হোসেন উত্তেজিত হয়ে, শ্বশুর নুরুল ইসলাম কে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করেন। পরে আশেপাশের লোক নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০সজ্জা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে রাজশাহী রেফার্ড করা হয়। ওই ঘটনা নুরুল ইসলামের স্ত্রী হাসেনা খাতুন বাদী হয়ে আলমগীর হোসেন এবং তার পিতা সোহরাব আলি ও মাতা রোকেয়া খাতুন সহিদুলের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪ এবং ৫০৬ ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং জেআর কেস নং ২৬/১৬ এস সি নং ১৯৩/১৫। পরে রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত নুরুল ইসলামের মৃত্যু হয় । ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতের চার্জশিট দাখিল করেন। এবং মামলায় ১৩ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমান অনাদায় আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এএসএম সাইদুর রাজ্জাক টুটুল এবং আসামিপক্ষের অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান কৌশলী ছিলেন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD