1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার পদ শুন্য, সাধারণ জনগণ হয়রানি আর পেরেশানিতে।  

  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৯৪ বার পঠিত

 

রাজশাহী ব্যুরোঃ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে উপজেলা প্রশাসনের অধিকাংশ দপ্তরের সিংহভাগই কর্মকর্তা  নেই! যারা আছেন তারা অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত। প্রশাসনিক কাজের ব্যাঘাতে হয়রানিতে পড়েছে স্থানীয় জনসাধারণ ও অফিসিয়্যাল বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ! দেখার কেউই নেই! সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মতামত দিয়েছেন অভিজ্ঞমহল!

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির মধ্যে সার্বিকক্ষেত্রেই অবহেলিত ও  উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। আর এ জেলার ৫টি উপজেলার  মধ্যে ছোট্ট একটি উপজেলার নাম ভোলাহাট। মান্দাত্তা আমল থেকেই এ উপজেলাটির সার্বিকক্ষেত্রেই উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বললেই চলে। শিক্ষাক্ষেত্রে আগের তুলনায় হার বাড়লেও পরিবর্তন আসেনি মানুষের মনমানসিকতার। একে-অপরের প্রতি হিংসে-বিদ্বেষ যেনো লেগেই রয়েছে।

ভোলাহাট উপজেলা পরিষদ সৃষ্টিলগ্ন থেকেই চলে আসছে, ভোলাহাট উপজেলা নাকি শাস্তিমূলক এরিয়া। লোকমুখে শুনা যায়, উপজেলা প্রশাসনের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলী হয়ে আসেন একমাত্র শাস্তি খাটার জন্য। বর্তমান উপজেলা প্রশাসনের ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ অফিসারের পদের মধ্যে ১৫টি পদে অফিসার রয়েছেন অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত। অতিরিক্ত দায়িত্বে অফিসারগণ অন্য উপজেলার মূল দায়িত্বে থাকায় সপ্তাহে দু’/একদিন অফিস করেন।  মানুষ  সকলকিছু ভাল-মন্দ, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সবই বুঝে। কার্যক্ষেত্রে  করে তার উল্টোটা। একজন জ্ঞানবান ও সচেষ্ট প্রকৃত মানুষ তার বিবেকের কথা উপলব্ধি করলেই মূলকর্মটাই করবে সে। কিন্তু বিতাড়িত শয়তানের অনুকরণ করলে সে-ই ব্যক্তির দ্বারা সমাজের উন্নয়ন তো দূরের কথা জাতি তাঁকে ঘৃণার চোখে দেখবে। আর তা-ই ঘটছে বর্তমান সমাজে।

ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের চালচিত্র বর্তমানে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০টি রয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে। আর ১৫টি পদে যথারীতি রয়েছে ফাঁকা ,  অতিরিক্ত দায়িত্বে অন্য উপজেলার। এ অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। বুধবার (২০ আগষ্ট ২০২৫) সকালের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা । দীর্ঘদিন ধরে  সহকারী  কমিশনার ( ভূমি ) এর পদ শূন্য। মাঝেমধ্যে পোস্টিং দিলেও   অলৌকিক ভাবে কয়েকমাসের মধ্যে বিদায় নেন। এই পদে বেশীরভাগই সময় দায়িত্ব পালন করে থাকেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজ দায়িত্ব ছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্প , মোবাইল কোর্ট এর  দায়িত্ব পালন করে থাকেন । তাছাড়া সম্পূন্ন  উপজেলার মেজিস্ট্রেসির দায়িত্ব তার উপর । পাশাপাশি ভূমির দায়িত্ব কাঁধে থাকায় সকল দায়িত্ব পালনে তাকে হিমসিম খেতে হচ্ছে । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে নজর না দেওয়ায় জনভোগান্তি দিনদিন বেড়েই চলেছে ।

অন্যদিকে  দীর্ঘ সময় ধরে  উপজেলা পরিসংখ্যাণ অফিসারের পদটিও ফাকা । কাজের দিক দিয়ে উপজেলা প্রশাসন যেনো ঝিমিয়ে পড়ার উপক্রম। বর্তমানে একমাত্র উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ই সার্বিকক্ষেত্রেই চলমান। উপজেলা প্রশাসনের  যেপদগুলি শুন্য রয়েছে-সহকারী কমিশনার (ভূমি ) ,  উপজেলা  নির্বাচন অফিসার, উপজেলা সেকেন্ডারি শিক্ষা অফিসার , উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা  অফিসার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা , উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা , উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা , উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ,  সাবরেজিস্টার, উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা , উপ – সহকারী প্রকৌশলী  জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তর , উপজেলা  পরিসংখ্যান কর্মকর্তা , উপজেলা  বন সপ্রসারণ কর্মকর্তা , উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা । এ ছাড়া উত্তরবঙ্গে একমাত্র রেশম চাষ প্রকল্প ভোলাহাটে হলেও দীর্ঘদিন যাবত এ দপ্তরের কর্মকর্তার পদ শূন্য ।

শূন্য পদগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তা না থাকায় সাধারণ মানুষ যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জেলার কর্মকর্তা বা পার্শ্ববর্তী উপজেলার কর্মকর্তা এ উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় সপ্তাহে ১ দিন হয়তো আসে , কিন্তু এই একদিনের উপস্থিততে গোটা সপ্তাহে কি ঘটেছে টা নিয়ে গল্প করতে করতে দিন শেষ হয়ে যায় । তাছাড়া জেলার কোনো কোনো কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও তাদেরকে মাস অবধি দেখা মিলে না ।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD