1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : unikbd :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন

কচাকাটায় পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার বলী ৯ বছরের শিশু

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪২ বার পঠিত

 

মোঃ নুরনবী সরকার নাগেশ্বরী প্রতিনিধিঃ

নাগেশ্বরীর কচাকাটায় পল্লী চিকিৎসকের দেয়া ঔষধ খেয়ে শরীর ঝলসে গেছে ৯ বছরের শিশু নুরজাহানের। ঝলসানো ক্ষত বিক্ষত শরীর নিয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে নুরজাহান। প্রাথমিকভাবে ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় নুরজাহানের শরীর এমনটি হয়েছে বলে জানান রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক মোহাম্মদ নূরুন্নবী । ভুল চিকিৎসার শিকার শিশু নুরজাহান জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের টেপারকুটি গ্রামের ইউনুস আলীর কন্যা।
জানা যায়- গত ২৯ জুলাই নুরজাহানের শরীরে জ্বর উঠায় তাকে নিয়ে একই উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের পল্লী চিকিৎসক আলমগীর হোসেনের সবেদের মোড়স্থ ওষুধের দোকান আল মদিনায় যান ইউনুছ আলী। পল্লী চিকিৎসক আলমগীর নুরজাহানকে দেখে তিন প্রকারের ওষুধ প্রদান করেন। এসব ওষুধ সেবনের পর থেকে নুরজাহানের শরীরে ছোট ছোট ফোঁসকা উঠতে থাকে। দিনের ব্যবধানে সে ফোঁসকা থেকে শিশু নুরজাহানের সারা শরীর কালো হয়ে পুড়ে যাওয়ার মতো হয়ে যায়। এ অবস্থায় ইউনুস আলী আবার মেয়েকে নিয়ে পল্লী চিকিৎসক আলমগীরের কাছে এলে তিনি চিকিৎসা দিতে টালবাহানা করেন। তারপর দুই দিনের মাথায় নুরজাহানের শরীরের চামড়া উঠে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হতে থাকে। অবস্থার বেগতিক দেখে ১ আগষ্ট নুরজাহানকে রংপুর ম্যাডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নুরজাহানের বাবা ইউনুস আলী জানান, মেয়ের জ্বর নিয়ে আমগীর ডাক্তারের কাছে যাই। তিনি দেখে তার ফার্মেসি থেকে তিন-চারটি ওষুধ দেন। সেগুলো খাওয়ানোর পর মেয়ের শরীরের এমন অবস্থা। পরে আলমগীরের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলে সে টালবাহানা করে এড়িয়ে যায়। পরে মেয়েকে রংপুর মেডিক্যালে ভর্তি করি। মেয়ে এমন শরীর নিয়ে যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে।
অভিযুক্ত পল্লি চিকিৎসক আলমগীর হোসেন সবদের মোড় নামক স্থানে আল মদিনা নামের লাইসেন্স বিহীন একটি ফার্মেসী খুলে বসেছেন। এই ফার্মেসীকে তিনি চেম্বার হিসেবে ব্যবহার করে সব ধরনের রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তার প্রেসক্রিপশন প্যাডে ডাক্তার শব্দটিও ব্যবহার করেন তিনি। সে সাথে তিনি নিজেকে জেনারেল মেডিসিন প্রাটিশনার ও সরকারী প্রশিক্ষন প্রাপ্ত চিকিৎসক বলেও দাবী করেন।
নুরজাহান সম্পর্কে জানতে চাইলে চিকিৎসক আলমগীর হোসেন জানান, তিনি ভুল চিকিৎসা দেননি। তিনি জ্বরের কয়েকটি ওষুধ দিয়েছেন মাত্র। মাত্রা অতিরিক্ত প্রয়োগে ওষুধের পার্শ্ব পতিক্রিয়ায় এমন হয়েছে কিনা জানেন না তিনি।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুজন সাহা জানান, বিযয়টি জানার পর উপজেলা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। ওই পল্লী চিকিৎসকের ফার্মাসিতে খোজ নিতে আমাদের লোক পাঠানো হয়েছিল কিন্তু পল্লী চিকিৎসক ফার্মাসি বন্ধ করে পালিয়েছে। এ বিষয়ে উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD