1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের আমতলী উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি গ্রেফতার বাউফলে দীর্ঘ ৭-৮ বছরের জনদুর্ভোগের অবসান: ৪৫০ ফুট সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটিয়া প্রজ্জ্বলিত মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক গ্রুপ ক্যাম্প ও দীক্ষা অনুষ্ঠান সম্পন্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডুসাকের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি মীর মোরসালিম ও সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম. নাছরুল্লাহ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লচাঁদপুরশাহ্তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা পাঠব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরশাহ্তলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রচনা পাঠ পবিপ্রতিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদক ও সত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে হবে– আনিসুর রহমান আনিস যথাযোগ্য মর্যাদায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে জিপিএ-৫ (A+) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাতকানিয়ায় শিক্ষা সফরের বাস খাদে, প্রাণ গেল শিক্ষিকাসহ ২ জনের

আউশের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

মোঃ আব্দুল আলীম ,জেলা প্রতিনিধি, বগুড়াঃ

বগুড়ার নন্দীগ্রামসহ অন্যান্য উপজেলায় চলতি মৌসুমে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সারের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা এবং জমিতে পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম থাকায় এবার আউশের ফলন অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে ধানের দামও ভালো থাকায় কৃষকের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

জানা যায়, বগুড়ার নন্দীগ্রামসহ অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন মাঠে চলছে আউশ ধান কাটার ব্যস্ততা।

কোথাও কৃষকেরা কাস্তে হাতে ধান কাটছেন। আবার কোথাও জমি থেকে কেটে আনা ধান মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠজুড়ে পাকা ধানের সোনালি আভা আর কৃষকের কর্মব্যস্ততায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

আউশ ধান চাষে প্রকৃতির বৃষ্টির ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়।
ফলে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে অতিরিক্ত সেচের প্রয়োজন পড়ে না। এতে সেচ বাবদ বাড়তি খরচ কমে যায়। চলতি মৌসুমে প্রয়োজনীয় সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় ধানের বৃদ্ধি ও ফলন ভালো হয়েছে। পাশাপাশি জমিতে তেমন বড় ধরনের পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় কৃষকদেরও বাড়তি বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২ হাজার ৬৩৩ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষাবাদ হয়েছে। এসব জমিতে কৃষকেরা ব্রি-৯৮, ব্রি-৪৮ ও বিনা-৭ জাতের আউশ ধান চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে এবং অধিকাংশ জমিতে কর্তন প্রায় শেষের দিকে।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আউশ ধান চাষে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষকদের কাছে এ ধানের চাষ বেশ সম্ভাবনাময়। বিশেষ করে প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে চাষ করা সম্ভব হওয়ায় সেচ খরচ কমে আসে।

চলতি মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টি, অনুকূল আবহাওয়া ও সার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় ফলনও হয়েছে আশানুরূপ।
উপজেলার হাটলাল গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান জানান, এ বছর তিনি ৮ বিঘা জমিতে আউশ ধানের চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে ধান কাটা শেষ হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ থেকে ১৭ মণ করে ধান পেয়েছেন। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা উৎপাদন খরচ হয়েছে। বর্তমানে ধানের দাম ভালো থাকায় বেশি লাভের আশা করছেন।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গাজিউল হক জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলায় আউশ ধান কাটার উৎসব শুরু হয়েছে। এবার উপজেলার কৃষকেরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কিছু দিনের মধ্যেই ধান কর্তনের কাজ শেষ হবে।

তিনি বলেন, এ বছর পানির কোনো অভাব ছিল না। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে সার পাওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধানের বাজারদর ভালো থাকলে চলতি মৌসুমে কৃষকেরা উৎপাদন খরচ মিটিয়ে লাভবান হতে পারবেন। এতে আগামী মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD