1. [email protected] : dailynayakontho :
  2. [email protected] : nayakantho3941 :
  3. [email protected] : nayakontho :
  4. [email protected] : nayakontho@394144 nayakontho@394144 : nayakontho@394144 nayakontho@394144
  5. [email protected] : unikbd :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাকে সাথে নিয়ে নিজ এলাকায় শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল করলেন ছাত্রলীগ নেতা রাজবাড়ীতে ব্যবসায়ী নেতা লিটনকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন গণসংহতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির বিশাল র‍্যালি সীতাকুণ্ডে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আবরার হত্যা মামলায় নতুন বিতর্ক: মোর্শেদের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনার আহ্বান দুই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের আপিল বিভাগে ২৪ নভেম্বর শুনানির অপেক্ষা, ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণ ও সাক্ষ্যপ্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন; ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ পর্যালোচনার দাবি সংহতি দিবসের সভায়-দেশ গঠনে জিয়ার দর্শনই সময়োপযোগী আসলাম চৌধুরী এফসিএ কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে রণক্ষেত্র ছুটির দিনেও কাজ করছে আকিজ টেক্সটাইলের ৭ হাজার শ্রমিক! আমতলীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন ঈশানবালা চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই

রাবিতে কোরআন পোড়ানো ঘটনায় মূল অভিযুক্তের পরিচয় মিলেছে

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৪৮ বার পঠিত

রাবিতে কোরআন পোড়ানো ঘটনায় মূল অভিযুক্তের পরিচয় মিলেছে

মো. রাফাসান আলম, রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল-সহ মসজিদে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানো ঘটনার মূলহোতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।

আজ রাত ৮টার দিকে আরএমপির ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মো. ফেরদৌস রহমান ফরিদ (২২)। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ভালূকা থানার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের মো. মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫ম সেমিস্টারের ছাত্র। ঘটনার পরে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে পালিয়ে যায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, যশোর, ঢাকা ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে থাকে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আমীর আলী হলের মুক্তমঞ্চ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল, শহীদ হবিবুর রহমান হল, মাদার বখ্শ হল, মতিহার হল, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক হলের মসজিদের মেঝেতে ও শেলফে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআন শরীফের এরূপ অবমাননার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মপ্রাণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মতিহার থানায় একটি মামলা রুজু করে।

এতে আরো বলা হয়েছে, মামলা রুজু পরবর্তীতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের নির্দেশনায় আরএমপি’র মতিহার থানা পুলিশের পাশাপাশি আরএমপি সিটিটিসি এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিট একটি চৌকস টিম মামলাটির তদন্ত কার্য শুরু করে। তদন্তকার্যের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও অন্যান্য স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

এরপর আরএমপি সিটিটিটি বিভাগ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের একটি সমন্বিত অভিযানিক দল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)-এর সহায়তায় ফেরদৌস রহমানকে ময়মনসিংহের ভালূকা থানার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ফেরদৌস রহমান ফরিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহের মসজিদে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনার সাথে নিজের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে। অভিযুক্ত ফরিদের বক্তব্যসহ অন্যান্য বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

শেয়ারঃ

এই জাতীয় অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Developed By UNIK BD